
পুলিশের দাবি, একটি ছ’ঘড়ার একটি রিভলভার থেকে অন্তত ছয় রাউন্ড গুলি চালিয়েছে অমিত। এরপর নিজেও আত্মঘাতী হন অমিত আগরওয়াল। সেসময় অমিতের শ্বশুর সুভাষ ঢনঢনিয়া ঘর থেকে পালিয়ে নিজের প্রাণ বাঁচান। এরপরই পুলিশ এসে অমিতের পকেট থেকে উদ্ধার করে সুইসাইড নোট। সেখানে তিনি লিখেছেন, ব্যাঙ্গালুরুতে নিজের স্ত্রী শিল্পী আগরওয়ালকেও খুন করে কলকাতায় এসেছেন তিনি। ফুলবাগান থানার পুলিশ, যোগাযোগ করেন ব্যাঙ্গালুরু পুলিশের সঙ্গে। এরপরই সেখানকার পুলিশ বন্ধ ফ্ল্যাট থেকে সামান্য পচন ধরা শিল্পী আগরওয়ালের দেহ উদ্ধার করেছে। অনুমান তাঁকে ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টা আগেই খুন করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অমিত ও শিল্পী দুজনেই চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট। কর্মসূত্রে তাঁরা ব্যাঙ্গালুরুতেই থাকতেন। তবে বছর দুয়েক ধরে দুজনের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছে। এই নিয়েই দুই পরিবারের গোলমাল। শ্বশুর সুভাষ ঢনঢনিয়ার দাবি, সোমবার রাতে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা নিয়েই জামাইয়ের সঙ্গে বচসা বাঁধে। এরপরই আচমকা রিভালভার বের করে গুলি চালায় সে। সেই মুহূর্তে তিনি ঘর থেকে পালিয়ে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। এরপরই প্রতিবেশীদের সাহায্যে ফুলবাগান থানায় ফোন করেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করছে ফুলবাগান থানা এবং কলকাতা গোয়েন্দা পুলিশের হোমিসাইড শাখার গোয়েন্দারা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অমিত ও শিল্পী দুজনেই চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট। কর্মসূত্রে তাঁরা ব্যাঙ্গালুরুতেই থাকতেন। তবে বছর দুয়েক ধরে দুজনের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছে। এই নিয়েই দুই পরিবারের গোলমাল। শ্বশুর সুভাষ ঢনঢনিয়ার দাবি, সোমবার রাতে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা নিয়েই জামাইয়ের সঙ্গে বচসা বাঁধে। এরপরই আচমকা রিভালভার বের করে গুলি চালায় সে। সেই মুহূর্তে তিনি ঘর থেকে পালিয়ে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। এরপরই প্রতিবেশীদের সাহায্যে ফুলবাগান থানায় ফোন করেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করছে ফুলবাগান থানা এবং কলকাতা গোয়েন্দা পুলিশের হোমিসাইড শাখার গোয়েন্দারা।

إرسال تعليق
Thank You for your important feedback