করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়ে মৃত্যু হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার তৃণমূল বিধায়ক তমোনাশ। পশ্চিমবঙ্গের প্রথম কোনও বিধায়কের মৃত্যু হল করোনায়। বুধবার সকালেই তাঁর মৃত্যু হয় বাইপাসের ধারের এক বেসরকারি হাসপাতালে। দক্ষিণ ২৪ পরগণার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তিনি তিনবারের বিধায়ক। তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকেই প্রায় তিনি দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬০। তিনি শাসকদলের কোষাধক্ষ পদেও ছিলেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুরু থেকেই তাঁর শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক ছিল। প্রথমদিকে জ্বর-সর্দি থাকলেও তিনি সেটাকে গুরুত্ব দেননি বলেই জানা গিয়েছে। ফলে শরীরিক অবস্থার অবনতি হলেই তিনি হাসপাতালে যান। এবং সোয়াব টেস্টে তাঁর করোনা ধরা পড়ে। গত ২৪ মে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। শেষ ২৪ দিন ভেন্টিলেশনে ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক। বুধবার সকাল ৮টা নাগাদ মৃত্যু হয় তাঁর।

মুখ্যমন্ত্রীও পরে এই বিষয় নিয়ে নবান্নের সাংবাদিক সম্মেলনে আক্ষেপ করেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, তমোনাশের পরিবারের আরও কয়েকজনও করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। সময়মতো চিকিৎসা করিয়ে তাঁরা সবাই সুস্থ হয়ে ফিরেছেন। কিন্তু ও অবহেলা করেছে। এদিন হাসপাতাল থেকে জানানো হয়েছে, বিগত কয়েকদিন ধরেই একে একে তাঁর নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কাজ করা বন্ধ করছিল। শেষ পর্যন্ত মাল্টি অর্গ্যান ফেলিওর হয়েই তৃণমূল বিধায়কের মৃত্যু হয়েছে। এদিন দলীয় বিধায়কের মৃত্যুর খবরে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি ট্যুইটে লেখেন, তিনবারের বিধায়ক তমোনাশ ঘোষের মৃত্যুর খবর পেয়ে আমি শোকাহত। উনি ১৯৯৮ সাল থেকেই দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ৩৫ বছর ধরে দল ও সাধারণ মানুষের সেবা করেছেন তিনি।
إرسال تعليق
Thank You for your important feedback