
লাদাখে চিন-ভারত সেনাবাহিনীর মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের পর সোমবার দ্বিতীয়বার আলোচনায় বসেছিলেন দুদেশের শীর্ষ সেনা কর্তারা। এদিকে,মঙ্গলবারই সেনাপ্রধান এম এম নারাভানে লাদাখ পরিদর্শনে যাচ্ছেন। সেখানে তিনি পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যালোচনা করবেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক বিশেষ সূত্রের দাবি অনুযায়ী সোমবারের বৈঠকেই চিনা সেনাবাহিনীর তরফে স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে ১৫ জুনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে তাঁদের এক কমান্ডিং অফিসারের মৃত্যু হয়েছে। তবে এখনও সরকারিভাবে চিনের কতজন সেনা বা অফিসারের মৃত্যু হয়েছে সেটা জানানো হয়নি। যদিও চিন সরকারের মুখপাত্র বলে পরিচিত ‘গ্লোবাল টাইমস’ সংবাদপত্রে দাবি করা হয়েছে, সেদিনের সংঘর্ষে ভারতের চেয়ে কম সেনা মারা গিয়েছে চিনের। সংখ্যা জানাজানি হলে ভারত চাপে পড়ে যাবে, তাই সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি। সূত্রের খবর, সংঘর্ষের পর যখন মৃতদেহ বিনিময় করা হয়েছিল তখনই চিনের ওই কমান্ডিং অফিসারের দেহও অন্তর্ভুক্ত ছিল। আরও জানা গিয়েছে, ১৫ জুন প্রায় সাতঘন্টা ধরে সংঘর্ষ হয় চিনা ও ভারতীয় জওয়ানদের মধ্যে।

মোট তিনবার দুদেশের সেনাবাহিনী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল। এরমধ্যে দ্বিতীয় সংঘর্ষই ছিল সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী। ওই সময়ই মারা গিয়েছিলেন ভারতীয় সেনা কর্নেল সন্তোষ বাবু ও চিনা কমান্ডিং অফিসার। সেনা সূত্রে জানা যাচ্ছে, সোমবারের বৈঠকে চিনই উল্টে ভারতকে লাদাখ থেকে সেনা সরানোর পরামর্শ দেয়। ভারত পাল্টা জানিয়ে দেয়, গালওয়ানের মতো সংঘর্ষের পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করবে সেনা। যা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে চিনা সেনা অফিসাররা। অপরদিকে চিনের ভূখণ্ডে লালফৌজের তৎপরতা লক্ষ্য করার পর তৈরি হচ্ছে ভারতও। জানা যাচ্ছে লাদাখে সীমান্তের কাছেই ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে। আকাশপথে চিনের সম্ভাব্য হামলা রুখতে ভূমি থেকে আকাশমুখী ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে।
إرسال تعليق
Thank You for your important feedback