খরচে রাশ টানতে হাওড়া-শিয়ালদার ১৭ জোড়া ট্রেন বন্ধ করতে পারে রেল




রেলের খরচ কমাতে তৎপর রেলমন্ত্রক। লকডাউনে বন্ধ যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা। মাত্র দুশোর কিছু বেশি স্পেশাল ট্রেন ও পরিযায়ীদের জন্য শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন চালাচ্ছে রেল। যদিও শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনের সংখ্যা এখন অনেকটাই কম। এরমধ্যে রেলমন্ত্রক সূত্রে জানা যাচ্ছে, আগস্টের মাঝামাঝি পর্যন্ত ট্রেনের পরিষেবা বাড়ানো হবে না। শুধুমাত্র স্পেশাল ট্রেনগুলিই চালানো হবে। ফলে যাত্রীভাড়া থেকে রেলের আয় কমেছে অনেকটাই। এই পরিস্থিতিতে করোনা পরবর্তী সময়ে রেলের খরচে রাশ টানতে চাইছে মন্ত্রক। এরমধ্যে যেমন, চুক্তিভিত্তিক কর্মী সঙ্কোচন, বাড়তি কর্মীদের স্বেচ্ছাবসরে পাঠানোর মতো সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছিল রেল। এবার দেশজুড়ে প্রায় ৩,০০০ ট্রেন পাকাপাকি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিল রেলবোর্ড। সম্প্রতি রেলবোর্ড থেকে বিভিন্ন রেল জোনগুলির কাছে নির্দেশিকা এসেছে অলাভজনক ট্রেনের লিস্ট চেয়ে।


রেলমন্ত্রক সূত্রে জানা যাচ্ছে, মূলত ধীরগতির ও আয়ের দিক থেকে লাভজনক নয় এমন ট্রেনগুলির তালিকা চাওয়া হয়েছে। যেগুলির অতিরিক্ত স্টপেজ থাকায় রেলের আয়ের থেকে ব্যায় বেশি হয়। পূর্বরেল সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়া ও শিয়ালদা ডিভিশনে এরকম ১৭ জোড়া ট্রেনের তালিকা তৈরি করে ইতিমধ্যেই পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ১০ জোড়া মেল-এক্সপ্রেস ট্রেন ও ৭ জোড়া প্যাসেঞ্জার ট্রেন। এই তালিকা রেলের অপারেশন ও কমার্শিয়াল বিভাগের অনুমোদন নিয়েই তৈরি করা হয়েছে। সূত্রের খবর, এই তালিকায় রয়েছে, কলকাতা-পাটনা এক্সপ্রেস, শিয়ালদা-আনন্দবিহার এক্সপ্রেস, হাওড়া-আনন্দবিহার সাপ্তাহিক যুবা এক্সপ্রেস, হাওড়া-এনজেপি যুবা সাপ্তাহিক এক্সপ্রেস, হাওড়া-রামপুরহাট, বর্ধমান-রামপুরহাট ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসের মতো ট্রেন। উল্লেখ্য, জুলাই মাসেই রেলের নতুন টাইম টেবিল প্রকাশিত হয়। কিন্তু বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে এটা আরও কয়েকমাস পিছিয়ে যেতে পারে। সেই নতুন টাইম টেবিলে এই ১৭ জোড়া ট্রেন আর নাও থাকতে পারে।

Post a Comment

Thank You for your important feedback

أحدث أقدم