
সোমবার বিকেলে বড়সড় নৌকাডুবির হাত থেকে বরাতজোরে বাঁচলেন সাত যাত্রী। জলপাইগুড়ির মালবাজারের চ্যাংমারিতে বর্ষার ভরা তিস্তায় ডুবে যায় একটি যাত্রীবাহী নৌকা। ওই নৌকায় বেশ কয়েকজন ছিলেন। কয়েকজন কোনও রকমে সাঁতরে পারে উঠে এলেও সাতজন তলিয়ে যায় বলে দাবি করেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। এরপরই খবর পেয়ে সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা তিস্তা নদীতে তল্লাশি শুরু করেন। রাতের অন্ধকারে তল্লাশি অভিযান বাধা পাওয়ায় নিখোঁজদের উদ্ধার করা নিয়ে আশঙ্কায় ছিলেন পরিবারের লোকজন। রাতেই ঘটনাস্থলে যান পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব। তাঁর নির্দেশেই আলো নিয়ে আসা হয়। বেশ কয়েকটি নৌকায় চলে তল্লাশি অভিযান। তবে গভীর রাতে জানা যায়, বাকি সাতজনও কোনওরকমে সাঁতরে অপর পারে উঠতে সক্ষম হয়েছেন। জানা গিয়েছে নৌকা তলিয়ে যেতেই ঘাবড়ে না গিয়ে স্রোতের বিরুদ্ধে ঘন্টাখানেক সাঁতার কেটে তিস্তার চর সংলগ্ন মৌয়ামাড়ি এলাকায় তাঁরা ওঠেন। সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের উদ্ধার করে তিস্তার চর এলাকায় একটি বাড়িতে আশ্রয় দেয় ।

হাফ ছেড়ে বাঁচেন প্রশাসনিক কর্তা থেকে শুরু করে পরিবারের লোকজন। পরে পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব ভরা বর্ষায় নদী পারাপারের সময় ল্যাইফ জ্যাকেট সহ বিভিন্ন সাবধনতা অবলম্বনের পরামর্শ দেন। পাশাপাশি তিনি জেলা পরিষদের কর্তাদের লাইফ জ্যাকেট কেনার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, তিস্তা নদীর ভক্তের চরে গিয়েছিলেন জমিজমা ও গবাদিপশু দেখভালের কাজে। ফেরার সময় রাত হয়ে যায়। প্রবল বৃষ্টির কারণে এখন তিস্তায় জল অনেকটাই বেড়েছে। সেই ভরা নদীর জলোচ্ছ্বাসে তাঁদের নৌকাটি উলটে গিয়ে ডুবে যায়। তবে সকলেই প্রাণে বাঁচায় অবশেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস সকলের।
إرسال تعليق
Thank You for your important feedback