
'জল্পনা একটা ছিলই, বৃহস্পতিবার লকডাউনের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে দলীয় স্তরে ব্যপক রদবদল করলেন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বদল হয়েছে একাধিক জেলা সভাপতি। পাশাপাশি রাজ্য কমিটিতেও রদবদল করে পাহাড় ও জঙ্গলমহল থেকে প্রতিনিধিদের স্থান দেওয়া হয়েছে। এই রাজ্য কমিটিতে সবচেয়ে বড় চমক জঙ্গলমহল থেকে ছত্রধর মাহাতো, সুকুমার হাঁসদা ও চূড়ামণি মাহাতোকে রাজ্য কমিটিতে আনা হয়েছে। আবার মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে সরিয়ে হাওড়ার দায়িত্ব দেওয়া হল প্রাক্তন ক্রিকেটার লক্ষ্মীরতন শুক্লাকে। গোষ্ঠী কোন্দলে জর্জরিত কোচবিহার জেলার সভাপতিকেও বদল করলেন তৃণমূল নেত্রী। এই জেলার নতুন জেলা সভাপতি হলেন পার্থপ্রতিম রায়। পুরুলিয়ার জেলা সভাপতি পদ থেকে বাদ পড়েছেন শান্তিরাম মাহাতো। তাঁর জায়গায় জেলা সভাপতি হয়েছেন গুরুপদ টুডু। ঝাড়গ্রামে বীরবাহা সোরেনকে সরিয়ে আনা হয়েছে দুলাল মুর্মুকে। পাশাপাশি বাঁকুড়া জেলা সভাপতি হয়েছেন মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা। জঙ্গলমহলের এই তিন জেলায় যথেষ্ট শক্তি বাড়িয়েছে বিজেপি। ফলে এই তিন জেলা সভাপতির কাজে খুশি ছিলেন না নেত্রী। একইভাবে নদিয়া জেলা সভাপতির দায়িত্বে এলেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মিত্র। অপরদিকে দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলা সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে অর্পিতা ঘোষকে। রাজ্যের কোর কমিটিতে আনা হল শুভেন্দু অধিকারী ও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মূলত তরুণ ও যুবদের জায়গা করে দেওয়া হয়েছে শাসকদলের নতুন কমিটিতে। রাজনৈতিক মহলের অভিমত, বিজেপিকে রুখতে তারুণ্যকেই প্রাধান্য দিতে চাইছেন তৃণমূল নেত্রী। এবার দেখার ২১ শের নির্বাচনে কতটা সাফল্য ধরে রাখতে পারে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস।
إرسال تعليق
Thank You for your important feedback