গত রেল বাজেটেই অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ঘোষণা করেছিলেন দ্রুত পচনশীল সামগ্রীর জন্য রেলমন্ত্রক শীঘ্রই ‘কিষান ট্রেন’ চালাবে। শুক্রবার এই ট্রেনের পরিষেবা শুরু হল। রেলমন্ত্রক সূত্রে জানা যাচ্ছে দ্রুত পচনশীল শাক-সবজি, ফল, ফুল নিয়ে চাষিদের সমস্যা ছিলই। কারণ দ্রুত বিক্রি করতে না পারলে পচে গিয়ে লোকসান হয় চাষি ও ব্যবসায়ীদের। ফলে অতি ফলনশীল এলাকার চাষিরা স্থানীয় বাজারেই বিক্রি করতেন এগুলো। ফলে লাভের মুখ কমই দেখতেন তাঁরা। এবার তাঁদের জন্য এগিয়ে এল রেলমন্ত্রক। শীততাপ নিয়ন্ত্রিত পার্সেল ট্রেনে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দ্রুত পৌঁছে দেওয়া হবে শাকসবজি, ফল ও ফুলের মতো সামগ্রী। যার নাম দেওয়া হয়েছে কিষান ট্রেন। এদিন সকাল ১১টা নাগাদ মহারাষ্ট্রের দেবলালি থেকে প্রথম কিষান ট্রেনটি ছেড়ে বিহারের দানাপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

ভিডিও কনফারেন্সে কিষান ট্রেনের উদ্বোধন…
১৫১৯ কিমি পথ এই ট্রেন পাড়ি দেবে ৩২ ঘন্টায়। পথে এই ট্রেনটি থামবে নাসিক রোড, মনমাদ, জলগাও, ভুসাবল, বুরহানপুর, খান্ডওয়া, ইটারসি, জবলপুর, সতনা, কাটনি, মণিকপুর, প্রয়াগরাজ, ছৌকি, দীনদয়াল উপাধ্যায় সহ আরও কয়েকটি স্টেশনে। প্রতি সপ্তাহে চলবে এই কিষান ট্রেন। বিভিন্ন স্টেশনে কাঁচা আনাজ, আলু-পেঁয়াজ, ফুল-ফল ওঠানামা করানো যাবে। ফলে দ্রুত পচনশীল সামগ্রী চাহিদা অনুযায়ী দেশের অন্য প্রান্তে দ্রুত পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। উল্লেখ্য, ২০০৯-১০ বাজেটে প্রথম এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন বাংলার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। প্রায় ১১ বছর পর সেই একই রাস্তায় হাঁটল রেলমন্ত্রক।
إرسال تعليق
Thank You for your important feedback