
কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের লোন দেওয়ার নাম করে জালিয়াতি করার করার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করল বিধাননগর সাইবার ক্রাইম শাখার পুলিশ। মূলত সরকারি কর্মচারীদের কাছ থেকে আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে ব্যাঙ্কে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলত প্রতারকরা। এইভাবে ব্যাঙ্ক থেকে লোন নিয়ে গায়েব হয়ে যেতেন তাঁরা। প্রতারকরা পরে জানতে পারতেন তাঁদের নামে ব্যাঙ্ক থেকে লোন তোলা হয়েছে। লোনের কিস্তি জমা না পড়ায় ব্যাঙ্ক থেকে চিঠি আসত প্রতারিতদের কাছ থেকে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে এক ব্যাঙ্কের তরফে নিউটাউন থানায় অভিযোগ জানানো হয়। মূলত কিস্তি না দেওয়ার জন্যই অভিযোগ জানানো হয়েছিল। এর তদন্তে নেমেই এই জালিয়াতির কথা জানতে পারে বিধাননগর পুলিশের গোয়েন্দারা। এরপরই সাইবার ক্রাইম শাখা তদন্ত শুরু করে। একই ধরনের ৬টি অভিযোগ পায় পুলিশ। এরপরই পুলিশ বুধবার রাতেই প্রিয়াঙ্কা সাহা ও রাতুল পাত্র নামে দুজনকে গ্রেফতার করে। তাঁদের জেরা করেই সন্দীপ মজুমদার নামে আরও একজনকে ধরে পুলিশ। প্রিয়াঙ্কা সাহাই এই চক্রের মূল পাণ্ডা বলে জানিয়েছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, প্রথমে প্রতারিতদের নামে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলে লোন তোলা হত। এরপর সেই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা নিজেদের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করে নিত প্রতারকরা। জানা গিয়েছে, ২৬টি লোন তুলে কোটি টাকার ওপর জালিয়াতি করেছে এই প্রতারণা চক্র। উল্লেখ্য রাতুল পাত্র এর আগেও এই ধরনের জালিয়াতি কাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছিল। তবে পুলিশের অনুমান, আরও বেশ কয়েকজন এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত আছে। তাঁদের খোঁজে তল্লাশিও শুরু করেছে বিধাননগরের গোয়েন্দারা।

إرسال تعليق
Thank You for your important feedback