আনলক প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর দেশের অর্থনীতি তার খারাপ সময় পার করে এসেছে। এমনই দাবি করল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক। তাদের কথায়, সবদিক থেকেই অর্থনীতির হাল ভালো হচ্ছে। অর্থমন্ত্রকের ৩৭ পাতার সাম্প্রতিক মাসিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, শিল্প উৎপাদন, ক্রয়ক্ষমতা, ইস্পাত ও সিমেন্টের উৎপাদন, রেলের মাশুল, বিমান ও যাত্রীভাড়া, আন্তঃরাজ্য পরিবহন, পেট্রোপণ্যের চাহিাদ, মোটরগাড়ির রেজিস্ট্রেশনের অবস্থা অনেক ভালো হয়েছে। তবে করোনার প্রকোপ ও ঝুঁকি রয়ে গিয়েছে। জুনে তার আগের দুমাসের তুলনায় কমে গিয়েছে মুদ্রাস্ফীতি। বাজারের দর স্থিতিশীল হয়েছে। কমেছে সুদের হার। নগদ টাকার জোগান বাড়া বাণিজ্যিক ক্ষেত্রের ঋণের চাহিদার সঙ্গে সাযুজ্যপূর্ণ। ব্যাঙ্কগুলিও অতিরিক্ত নগদ অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের কাজে দিচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি খরচেও লাগাম টানা হয়েছে। জিএসটি আদায় জুলাইয়ে বেড়েছে ১৪ শতাংশ। আসছে প্রচুর বিদেশি লগ্নি। তা জুনে আগের ১৫ মাসের তুলনায় অনেক বেশি। ভারতীয় টাকার দাম ডলারের তুলনায় হয়েছে ৭৫ টাকা ৫৩ পয়সা। বেড়েছে রফতানিও। অশোধিত তেল আর ঊর্ধমুখী সোনার দাম সত্ত্বেও উদ্বৃত্ত বাণিজ্য হয়েছে ০.৮ বিলিয়ন ডলার।
আনলক প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর দেশের অর্থনীতি তার খারাপ সময় পার করে এসেছে। এমনই দাবি করল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক। তাদের কথায়, সবদিক থেকেই অর্থনীতির হাল ভালো হচ্ছে। অর্থমন্ত্রকের ৩৭ পাতার সাম্প্রতিক মাসিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, শিল্প উৎপাদন, ক্রয়ক্ষমতা, ইস্পাত ও সিমেন্টের উৎপাদন, রেলের মাশুল, বিমান ও যাত্রীভাড়া, আন্তঃরাজ্য পরিবহন, পেট্রোপণ্যের চাহিাদ, মোটরগাড়ির রেজিস্ট্রেশনের অবস্থা অনেক ভালো হয়েছে। তবে করোনার প্রকোপ ও ঝুঁকি রয়ে গিয়েছে। জুনে তার আগের দুমাসের তুলনায় কমে গিয়েছে মুদ্রাস্ফীতি। বাজারের দর স্থিতিশীল হয়েছে। কমেছে সুদের হার। নগদ টাকার জোগান বাড়া বাণিজ্যিক ক্ষেত্রের ঋণের চাহিদার সঙ্গে সাযুজ্যপূর্ণ। ব্যাঙ্কগুলিও অতিরিক্ত নগদ অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের কাজে দিচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি খরচেও লাগাম টানা হয়েছে। জিএসটি আদায় জুলাইয়ে বেড়েছে ১৪ শতাংশ। আসছে প্রচুর বিদেশি লগ্নি। তা জুনে আগের ১৫ মাসের তুলনায় অনেক বেশি। ভারতীয় টাকার দাম ডলারের তুলনায় হয়েছে ৭৫ টাকা ৫৩ পয়সা। বেড়েছে রফতানিও। অশোধিত তেল আর ঊর্ধমুখী সোনার দাম সত্ত্বেও উদ্বৃত্ত বাণিজ্য হয়েছে ০.৮ বিলিয়ন ডলার।
إرسال تعليق
Thank You for your important feedback