কিছুদিন ধরেই অ্যাম্বুলেন্সে প্রচুর টাকা ভাড়া দাবি করা হচ্ছিল। তা নিয়ে মঙ্গলবার বৈঠক হয় বৈঠক হয় কলকাতা পুরভবনে। উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়, ডা. অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডা. শান্তনু সেন ও কলকাতা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। পরে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে স্বাস্থ্যভবন শুধুমাত্র কলকাতার জন্য ১১০টি থেকে ১১৫টি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করছে। আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যেই এই ব্যবস্থা হয়ে যাবে। এর পাশাপাশি কলকাতা পুরসভাও নিজস্ব কিছু ব্যবস্থা করেছে। যার সংখ্যা ২৫১টি। তিনি জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে একটি হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে যাওয়ার জন্য যদি কেউ অ্যাম্বুলেন্স না পান তাহলে সরাসরি স্বাস্থ্যভবন বা কলকাতা পুরসভার কন্ট্রোল রুমে ২৪ ঘণ্টা ফোন করে জানাতে পারবেন। এবং সেখান থেকেই তাদের সরাসরি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। যদি কোনও নন কোভিড রোগী কোনও হাসপাতাল বা ছোট নার্সিংহোমে ভর্তি থাকাকালীন কোভিডে আক্রান্ত হন, তখন কোভিড হাসপাতালে যাওয়ার জন্য তাঁকে ছোটাছুটি করতে হবে না। সরাসরি স্বাস্থ্যভবন ও পুরসভার সঙ্গে যোগাযোগ করার কথা তিনি বলেন। কলকাতা পুরসভার তরফে যে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয়েছে তাতে থাকছে জিপিএস এর ব্যবস্থা। অন্যদিকে তিনি জানিয়েছেন, করোনায় কেউ আক্রান্ত হলে তাকে বা তাদের সরকারি রিকুইজিশন দিয়ে কোভিড হাসপাতালে সুনিশ্চিত করা যাবে। সেক্ষেত্রে একটি রেফারেল নম্বর দেওয়া হবে।
কিছুদিন ধরেই অ্যাম্বুলেন্সে প্রচুর টাকা ভাড়া দাবি করা হচ্ছিল। তা নিয়ে মঙ্গলবার বৈঠক হয় বৈঠক হয় কলকাতা পুরভবনে। উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়, ডা. অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডা. শান্তনু সেন ও কলকাতা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। পরে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে স্বাস্থ্যভবন শুধুমাত্র কলকাতার জন্য ১১০টি থেকে ১১৫টি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করছে। আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যেই এই ব্যবস্থা হয়ে যাবে। এর পাশাপাশি কলকাতা পুরসভাও নিজস্ব কিছু ব্যবস্থা করেছে। যার সংখ্যা ২৫১টি। তিনি জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে একটি হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে যাওয়ার জন্য যদি কেউ অ্যাম্বুলেন্স না পান তাহলে সরাসরি স্বাস্থ্যভবন বা কলকাতা পুরসভার কন্ট্রোল রুমে ২৪ ঘণ্টা ফোন করে জানাতে পারবেন। এবং সেখান থেকেই তাদের সরাসরি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। যদি কোনও নন কোভিড রোগী কোনও হাসপাতাল বা ছোট নার্সিংহোমে ভর্তি থাকাকালীন কোভিডে আক্রান্ত হন, তখন কোভিড হাসপাতালে যাওয়ার জন্য তাঁকে ছোটাছুটি করতে হবে না। সরাসরি স্বাস্থ্যভবন ও পুরসভার সঙ্গে যোগাযোগ করার কথা তিনি বলেন। কলকাতা পুরসভার তরফে যে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয়েছে তাতে থাকছে জিপিএস এর ব্যবস্থা। অন্যদিকে তিনি জানিয়েছেন, করোনায় কেউ আক্রান্ত হলে তাকে বা তাদের সরকারি রিকুইজিশন দিয়ে কোভিড হাসপাতালে সুনিশ্চিত করা যাবে। সেক্ষেত্রে একটি রেফারেল নম্বর দেওয়া হবে।
إرسال تعليق
Thank You for your important feedback