কাল বিহার ভোটের শেষপর্বে লড়াই জোরদার

বিহারের শেষপর্বের ভোট শনিবার। সব রাজনৈতিক জোটের কাছেই এই পর্ব অত্যন্ত গুরুত্বের। এনডিও, মহাগঠবন্ধন তো রয়েইছে, তার সঙ্গে রয়েছে গ্র্যান্ড সেকুলার ডেমোক্রাটিক অ্যালয়েন্স। তৃতীয় সেই জোটে রয়েছে মজলিস ইত্তেহাদুল মুসলিমিন বা মিম, উপেন্দ্র কুশওয়াহার রাষ্ট্রীয় লোক সমতা পার্টি এবং পাপ্পু যাদবের জন অধিকার পার্টি। পাশপাশি রয়েছে চিরাগ পাসোয়ানের লোক জনশক্তি পার্টি। তাদের লড়াই সরাসরি নীতীশ কুমারের বিরুদ্ধে।


উত্তর বিহার ও সীমাঞ্চলের ১৬টি জেলার ৭৮টি আসনে ভোট এই পর্বে। গতবার গঠবন্ধন জিতেছিল ৪৫টি আসন। একা জেডি (ইউ) জিতেছিল ২৪টি। সেবার আরজেডির জোটসঙ্গী ছিলেন নীতীশ কুমার। এবার বিজেপির হাত ধরায় কঠিন লড়াইয়ের মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁকে। ভালো ফলের আশায় তেজস্বী যাদব। গতবার বিজেপি পেয়েছিল ১৯টি। পূর্ব ও পশ্চিম চম্পারনের ১১টি আসনের ভোট শনিবার। তারমধ্যে ৬টি গতবার জিতেছিল বিজেপি। তবে মধুবনী, সমস্তিপুর, মধেপুরা, সহর্ষা জেলায় একটি আসনেও সেবার জিততে পারেনি পদ্মশিবির। দ্বারভাঙা, মুজফফরপুর, সীতামারীতে ১৭টি আসনে গতবার বিজেপি, জেডি (ইউ) জিতেছিল ৯টিতে। সীমাঞ্চলে বিজেপি-বিজেডি (ইউ) ২৪টির মধ্যে ৬টি পেয়েছিল। 


বরাবরই সীমাঞ্চল আরজেডি-কংগ্রসের শক্ত ঘাঁটি। নেপাল, পশ্চিমবঙ্গের লাগোয়া এই অঞ্চলে বাস মুসলিম সম্প্রদায়ের বহু লোকজনের। তাছাড়া, যাদব, অতি পশ্চাদপরদের সংখ্যাও প্রচুর। এখানে বিজেপি যওগী আদিত্যনাথ থেকে শুরু করে জে পি নাড্ডা, রাজনাথ সিংয়ের মতো নেতাদের এনে প্রচার করেছে। এবার মিম কী করে সেদিকেও নজর সবার। তবে বাকি দুই পর্বের মতো তৃতীয় এই পর্বেও মূল ইস্যু হয়ে উঠেছে বেকারত্ব, কর্মসংস্থান।


Post a Comment

Thank You for your important feedback

أحدث أقدم