লোকাল ট্রেন নিয়ে আজ রেল-রাজ্য বৈঠক। কিন্তু তবুও স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে উঠতে চেয়ে নিত্যযাত্রীদের বিক্ষোভ-অবরোধ থামার লক্ষণ নেই। সোমবারও সপ্তাহের প্রথম দিন হুগলির একাধিক স্টেশনে রেল অবরোধ হল। তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন নিত্যযাত্রীরা। এদিন রেলযাত্রীরা প্রথম অবরোধ শুরু করেন হুগলির বৈদবাটি স্টেশনে। পরে রিষড়া, ও শেওড়াফুলি স্টেশনেও অবরোধ-বিক্ষোভ হয়। ফলে আপ ও ডাউন লাইনে থমকে যায় বেশ কয়েকটি স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। এর আগেও হাওড়া, হুগলি ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার একাধিক স্টেশনে রেল অবরোধ, ভাঙচুর হয়েছে লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে। এদিনও ফের স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে উঠতে চেয়ে বাধা পেলেন নিত্যযাত্রীরা। আর তারপরই তাঁরা রেললাইনে গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ শুরু করেন। ফলে থমকে যায় স্টাফ স্পেশাল ট্রেনের চাকা।
হুগলির রিষড়া স্টেশনের কাছেই রেলগেট অবরোধ করে বন্ধ করে দেওয়া হয় ট্রেন চলাচল। একই দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হয় শেওড়াফুলি স্টেশনে। এর আগে হয় লোকাল ট্রেন চালাতে হবে না হয় স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে উঠতে দিতে হবে, এই দাবিতে তুমুল বিক্ষোভ হয়েছে হাওড়া স্টেশনে। কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী জড়ো হয়ে যায় হাওড়ায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে রেল পুলিশ ও রেলরক্ষী বাহিনীকে লাঠি হাতে তেড়েও যেতে হয়। এরপরই নড়েচড়ে বসে রাজ্য সরকার। রেলের সঙ্গে আলোচনা চেয়ে চিঠি দেয় নবান্ন। সোমবার বিকেলে নবান্নে রাজ্যের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব রেলের শীর্ষ আধিকারিকরা। গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকেই সমাধান সূত্র মিলবে বলে আশা সবপক্ষের।


إرسال تعليق
Thank You for your important feedback