পরিযায়ী পাখিদের জন্য রায়গঞ্জ বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছে। কিন্তু কাক পাড়া বা কাইয়াপাড়াও যে রয়েছে রায়গঞ্জ শহরে তা অনেকেরই অজানা। কুলিক নদীর ধারেই অবস্থিত এই কাকপাড়া। তবে এই কাকেদের অত্যাচারে অতিষ্ট এলাকার মানুষ। কাক তাড়াতে গাছ কাটা সহ একাধিক পন্থা অবলম্বন করেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি।
সাধারণত যে সমস্ত এলাকায় নোংরা আর্বজনা থাকে সেখানেই কাক দেখা যায়। কিন্তু এখানে একেবারেই তার উল্টো ছবি। রায়গঞ্জ শহরের পাশ দিয়ে বয়ে চলা কুলিক নদীর পারেই রয়েছে এই কাকপাড়া। এলাকা সুত্রে জানা যায়, এক সময় এখানে কোন জনবসতি ছিল না। পুরোটাই ছিল গাছ আর গাছ। আর সেই গাছেই বসত কাক এবং বক। সময় পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সেখানে তৈরী হয়েছে জনবসতি।
বেশ কিছু মৃৎশিল্পী এখানে বসতি স্থাপন করেছেন এবং পরে এই এলাকার নতুন নামকরণ করা হয় উত্তর পালপাড়া। এই কাকপাড়ায় প্রায় ৮০টি পরিবারের বাস। সারাদিন এলাকায় সেভাবে কাকের দেখা না মিললেও বিকেল চারটে বাজতে না বাজতেই এলাকায় হাজির হয় হাজার হাজার কাক। আবার ভোর হতেই এলাকা ছেড়ে এদিক ওদিক চলে যায় তারা। তবে কাকেদের কর্কশ আওয়াজে এলাকায় কানপাতা দায় হয় এলাকাবাসীর।
এতকিছু অসুবিধা সত্বেও কাককে সঙ্গী করে জীবনযাপন করতে হচ্ছে কাকপাড়ার বাসিন্দাদের। পশুপ্রেমী সংগঠনের দাবি, কুলিক নদী সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে পুরসভার ভাগাড়। সেখানে খাবার খেয়েই এলাকায় তারা বাসা বাঁধছে। বংশ পরম্পরায় কাকেরা ওই এলাকায় থাকছে, যা জনজীবনের পক্ষে খুবই উপকারী। কারণ কাককে স্ক্যাভেঞ্জার পাখি বলা হয়।
إرسال تعليق
Thank You for your important feedback