লোকাল ট্রেন চালানো নিয়ে রেল-রাজ্য বৈঠক শেষ নবান্নে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য প্রশাসন এবং পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব রেলের শীর্ষকর্তারা। সোমবার বিকেল পাঁচটায় শুরু হয় বৈঠক।ঘন্টাখানেকের বৈঠকের পর সমাধান সূত্র বের হয়। জানা গিয়েছে, রেলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে লোকাল ট্রেন চালাতে প্রস্তুত রেল। আপাতত ১০ শতাংশ লোকাল ট্রেন চালানো হবে। কালীপুজোর পর আরও ট্রেন চালানো হবে বলে ঠিক হয়েছে বৈঠকে।
রাজ্য সবুজ সঙ্কেত দিলেই ৭২ ঘন্টার মধ্যে লোকাল ট্রেন পরিষেবা শুরু করে দেবে রেলমন্ত্রক। মুম্বই মডেলেই ট্রেন চালানোর প্রস্তাব দিয়েছে রেলকর্তারা। এদিন রেলের তিনটি ডিভিশনের যাত্রীদের সম্পূর্ণ তথ্যই রাজ্যের হাতে তুলে দেয় রেল কর্তৃপক্ষ। কোন স্টেশনে কত যাত্রী, অফিস টাইমে কত যাত্রী চলাচল করে সব তথ্যই দেওয়া হবে। পাশাপাশি আলোচনা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও। তবে সব পক্ষই ট্রেন চালানোর পক্ষে সায় দিয়েছে বলেই খবর।
সোমবার বৈঠক শুরুর আগেই রেলের তরফে ফের একবার চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে লোকাল ট্রেন চালাতে প্রস্তুত তাঁরা। সেই সঙ্গে কয়েকটি প্রস্তাবও রেলের তরফে দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারকে। এদিন বৈঠকের আগে পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব রেলের আধিকারিকরা নিজেদের মধ্যে বৈঠক করেন দক্ষিণ-পূর্ব রেলের সদর দফতরে। সেখানেই উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। জানা যাচ্ছে মুম্বইয়ের মতো ই-পাস নিয়ে লোকাল ট্রেন চালানোর প্রস্তাব দিতে পারে রেল কর্তৃপক্ষ। যারা জরুরি পরিষেবা এবং সরকারি কর্মচারিরা অগ্রাধিকার পাবেন।
বৈঠকের আগেই এক রেলকর্তা জানিয়েছেন, ‘সবরকমের প্রস্তুতি রয়েছে। পরিষেবা শুরু হলে কোনও অসুবিধা হওয়ার কথা নয়’। এদিনের বৈঠকের আগেই ফের হুগলির একাধিক স্টেশনে বিক্ষোভ দেখিয়েছে নিত্যযাত্রীরা। বৈদ্যবাটি স্টেশনে গাছের গুড়ি ফেলে অবরোধ করেন যাত্রীরা। স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে উঠতে চেয়ে অবরোধ হয় হুগলির রিষড়া, শেওড়াফুলির মতো স্টেশনেও।



Biswanath saha
ردحذفإرسال تعليق
Thank You for your important feedback