সম্পত্তির পরিমাণ কমে গিয়েছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের। কমেছে ২৬ শতাংশ। গত অর্থবর্ষের তুলনায় তা কমেছে ১ কোটি ৮০ লাখ পাকিস্তানি টাকা। পাক নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুসারে, ইমরানের দেশে ৮ কোটি টাকার সম্পদ থাকলেও বিদেশে তাঁর চারটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তাতে রয়েছে মোট ৩,৩১,২৩০ ডলার। পাকিস্তানের ফিরোজওয়ালায় ৮০ কানাল জমি কেনার জন্য তাঁর ধারও রয়েছে ৭ কোটি টাকা। মঙ্গলবার পাক নির্বাচন কমিশন সাংসদদের ২০১৯-২০২০ সালের বিষয়সম্পত্তির হিসেব প্রকাশ করেছে।
তবে ইমরানের পাকিস্তানে বা বিদেশে কোনও ব্যবসা নেই। নিজের নামে কোনও গাড়িও নেই। পাক রাজনীতিকদের মধ্যে সবথেকে ধনবান পিটিআই দলের নুর আলম খান। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৩২০ কোটি টাকা। সংসদে বিরোধী নেতা শাহবাজ শরিফের সম্পত্তি ২৪০ কোটি টাকার। প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির সম্পত্তি ৬ কোটি ৭০ লাখের। পিপিপি-র বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির ১৫৮ কোটির। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী সাদিক খাকান আব্বাসির সম্পদ ৬ কোটির, রাজা পারভিজ আসরফের ২ কোটির।
সংসদের স্পিকার আসাদ কায়সারের সম্পত্তির পরিমাণ ৮ কোটি টাকার। বিদ্যুৎমন্ত্রী পারভেজ খাট্টাকের সম্পদ ১৫ কোটির, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফয়সল ভাওদার ৬ কোটি ৩০ লাখের। বিদেশে রয়েছে ৫ কোটি ১০ লাখ টাকা, ১ কোটির গাড়ি। বিদেশমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশির সম্পত্তি ২ কোটি ৪০ লাখের। শিক্ষামন্ত্রী শাফাকত মাহমুদের সম্পত্তি দেড় কোটি টাকার। রেলমন্ত্রী শেখ রশিদ ৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকার সম্পত্তির মালিক।
إرسال تعليق
Thank You for your important feedback