দ্রুত মাঝেরহাট ব্রিজ চালু করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করলো বিজেপি। আর ওই মিছিলে বাঁধা দেয় পুলিশ। এরপরই এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ওপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ। পাশাপাশি বেশ কয়েকজন সমর্থককে আটক করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।
বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বাম-কংগ্রেসের ডাকা বনধের দিন দুপুরে নতুন করে তৈরি মাঝেরহাট ব্রিজ জনসাধারণের জন্য দ্রুত খুলে দেওয়ার দাবিতে মিছিল করার কথা ছিল। সর্বভারতীয় নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়ের নেতৃত্বে এই মিছিল হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এদিন কৈলাশ বিজয়বর্গীয় মিছিলে অংশ নেওয়ার আগেই মিছিল আটকায় পুলিশ। এরপরই শুরু হয় বিজেপি কর্মী ও পুলিশের মধ্যে বচসা।
অভিযোগ, এই সময় আচমকাই মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে ব্যাপক লাঠিচার্জ করে পুলিশ। নিউ আলিপুর থেকে তারাতলাগামী রাস্তা কার্যত যুদ্ধক্ষেত্রের চেহারা নেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেখানে যায় কলকাতা পুলিশের কমব্যাট ফোর্সও। বিজেপির দাবি, তাঁদের বহু কর্মী-সমর্থক পুলিশের লাঠির ঘায়ে আহত হয়েছেন। এমনকী মহিলা মোর্চার সদস্যরাও পুলিশের মার থেকে পার পায়নি। রাস্তা থেকে গলির ভিতর ঢুকে পড়া বিজেপি কর্মীদের টেনে হিঁচড়ে বের করতে দেখা গিয়েছে পুলিশকে।
প্রথম দফায় পুলিশ মিছিল ছত্রভঙ্গ করে দিলেও পরে তাঁরা ফের জমায়েত করে ওই এলাকায়। পুলিশের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতেও দেখা যায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের। দীর্ঘক্ষণ ধরে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় ধুন্ধুমার চলায় ব্যাপক যানজট হয় তারাতলা মোড় ও সংলগ্ন এলাকায়। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা তথা রাজ্যের অন্যতম পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য টুইট করে লাঠিচার্জের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেছেন।
Critical urban infrastructure in Kolkata has crumbled.
— Amit Malviya (@amitmalviya) November 26, 2020
Pishi had committed to build Majherhat bridge by 2019 but 2020 is about to end and it is still not ready! Is she waiting for 2021 election to inaugurate the new bridge?
The inconvenienced citizens of Kolkata want to know...



إرسال تعليق
Thank You for your important feedback