ক্লাব লাইসেন্সিংয়ে ছাড় দেওয়ার আবেদন এসসি ইস্টবেঙ্গলের

AFC ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের পরীক্ষায় পাশ করেছে এটিকে-মোহনবাগান, বেঙ্গালুরু এফসি, জামশেদপুর এফসি, চেন্নাইয়িন এফসি ও মুম্বই সিটি এফসি। অপরদিকে ব্যর্থ হয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল, ওড়িশা এফসি, কেরল ব্লাস্টার্স, নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি ও হায়দরাবাদ এফসি। ফলে আইএসএল শুরুর আগেই নতুন করে চাপে কর্তারা। যদিও জানা যাচ্ছে, আইএসএল উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন সহ সব পক্ষই চাইছেন এবারের কোভিড অতিমারির কথা মাথায় রেখে সকলকেই ছেড়ে দিক এএফসি।

ফেডারেশনের তরফে আই লিগের চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার সুনন্দ ধর জানিয়েছেন, ‘এই করোনা পরিস্থিতিতে  ক্লাবগুলো ছাড় দেওয়ার জন্য এএফসির কাছে আবেদন করতে পারে। যদিও এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও করতে পারে’। ফেডারেশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, ব্যর্থ হওয়া দলগুলির কাছে দুটি রাস্তা খোলা রয়েছে। 

 

একটি হল, আপিল বডির কাছে এই সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনা করা এবং অন্য পথ হল এবারের মতো অব্যাহতি দিয়ে তাঁদের খেলতে দেওয়ার আবেদন করা। কলকাতার এটিকে-মোহনবাগান ইতিমধ্যেই এএফসি-র ক্লাব লাইসেন্স হাতে পেয়েছে। তবে ব্যর্থ এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা দ্বিতীয় পথেই হাঁটল। রবিবারই তাঁরা ‘ছাড়’ দেওয়ার জন্য এএফসির কাছে আবেদন করেছে বলে জানা গিয়েছে।


উল্লেখ্য, লাইসেন্সিংয়ের ক্ষেত্রে মূলত পাঁচটি বিষয় দেখা হয়। ক্লাবের খেলাধুলোর পরিকাঠামো,  নিযুক্ত প্রতিনিধিগণ, ক্লাবের প্রশাসন, আইনি সমস্যা আছে কিনা এবং ক্লাবের আর্থিক দিক। এছাড়াও প্রতিটি বিভাগের একাধিক উপ-বিভাগ আছে কিনা সেটাও দেখা হয়। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের ক্ষেত্রে আর্থিক স্বচ্ছতা নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে এএফসির তরফে। ইস্টবেঙ্গলের নতুন বিনিয়োগকারী সংস্থাও এই বিষয়টি মেনে নিয়েছে। তাঁদের দাবি, গত মরসুমের আয়-ব্যয়ের হিসাব আমরা পাইনি ক্লাব থেকে। চুক্তি অনুযায়ী অর্থ পাওয়ার পরে ফুটবলারেরা ক্লাবকে যে এনওসি দেন, তা-ও দেওয়া হয়নি। 

 

যদিও তাঁরা জানিয়েছেন, আরও কিছুদিন সময় দেওয়া হয়েছে ক্লাবের কর্মকর্তাদের। এরমধ্যেই এই কাগজপত্র যেন ইনভেস্টরদের দিয়ে দেওয়া হয়। এসসি ইস্টবেঙ্গল বাদে বাকি ক্লাবগুলি আগেই এএফসির কাছে মুচলেখা দিয়েছিল, যে তারা ২০২১ সালের মধ্যে ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের সব শর্ত পূরণ করবে।



Post a Comment

Thank You for your important feedback

أحدث أقدم