তপসিয়া খালপাড় বস্তিতে ভয়াবহ আগুন

মঙ্গলবার বিকেলে আচমকাই আগুন লেগে গেল তপসিয়া ২৪ নম্বর বাসস্ট্যান্ড লাগোয়া খালপাড় বস্তিতে। বাঁশ ও দরমার বেড়ার ঝুপড়ি হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে ২০টির বেশি ঝুপড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পরে দমকলকর্মীরা বুঝতে পারেন আগুনের ভয়াবহতা। দ্রুতই আরও ইঞ্জিন ডাকা হয় তপসিয়া খালপাড় এলাকায়। কিছুক্ষনের মধ্যেই দমকলের ২০টি ইঞ্জিন কাজ শুরু করে। ঘটনাস্থলে নিয়ে আসা হয় অত্যাধুনিক রোবট ইঞ্জিন।

 

কিন্তু জনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে আগুন। এর পাশাপাশি ওই বস্তিতে বেশ কয়েকটি মোবিল ও তেলের কারখানা থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রন আনতে বেগ পেতে হয় দমকলকর্মীদের। যদিও প্রায় ঘন্টা তিনেকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আসে বলে দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। তিনি বলেন, ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় আগুন নেভাতে সমস্যা হয়েছে। তবে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করেছেন দমকলকর্মীরা। সন্ধ্যের পর সেখানে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কথা বলেন দমকলের আধিকারিকদের সঙ্গে।

এদিন বিকেলে আচমকাই দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে কয়েকটি ঝুপড়ি। প্রাথমিকভাবে দমকলের কয়েকটি ইঞ্জিন এলেও স্থানীয় মানুষজনও খালের জলে নেমে দমকলের হোস পাইপ নিয়ে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগাতে দেখা গিয়েছে। পরে আরও ১৫টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। যূদ্ধকালীন তৎপরতায় চলে আগুন নেভানোর কাজ। কিভাবে আগুন লাগলো সেটা জানা যায়নি। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, এলাকার রঙের কারখানাতেই প্রথমে আগুন লাগে। বেশিরভাগ ঝুপড়িই পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে। পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে কমবেশি ৫০টিরও বেশি ঝুপড়ি। ফলে সর্বস্ব খুইয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন বস্তির বেশিরভাগ বাসিন্দাই। শীতের রাতে আশ্রয়হীন হয়ে পরলেন প্রায় ৩০০ মানুষ।

Post a Comment

Thank You for your important feedback

أحدث أقدم