প্রবল ঠান্ডায় কাঁপছে কাশ্মীর-হিমাচল, তবুও ভিড় পর্যটকদের

প্রবল ঠান্ডায় কাঁপছে উত্তর ভারতের একাংশ। কাশ্মীর, লাদাখ সহ হিমাচলের লাহুল-স্ফিতি, শিমলা, মানালি, ডালহৌসি সহ হিমালয়ের বেশিরভাগ পর্যটন কেন্দ্রই বরফে মোড়া পড়েছে। হিমাঙ্কের নীচে তাপমাত্রা চলে গিয়েছে কাশ্মীর, হিমাচল, উত্তরাখণ্ডের মতো রাজ্যের একাধিক এলাকায়। প্রবল তুষারপাতের সঙ্গে হালকা বৃষ্টি শুরু হওয়ায় বেশিরভাগ এলাকার পরিস্থিতি কার্যত হাতের বাইরে চলে গিয়েছে। আর এই তুষারপাতের প্রভাবে উত্তর ভারতের সমতল এলাকায় তাপমাত্রার দ্রুত পতন হচ্ছে। 


ইতিমধ্যেই দিল্লির তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নীচে নেমেছে। নভেম্বরের শেষের দিকে দিল্লিতে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৫ ডিগ্রি কম। এটাও একটা রেকর্ড বলে জানাচ্ছেন আবহবিদরা। দিল্লির পাশাপাশি পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান ও উত্তরপ্রদেশে কার্যত শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। অপরদিকে লাদাখের রাজধানী লে ইতিমধ্যেই হিমাঙ্কের নীচে চলে গিয়েছে। এখানকার তাপমাত্রা মাইনাস ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শ্রীনগরের তাপমাত্রা অবশ্য ৯ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করছে। লাহুল-স্পিতির প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, জেলায় কেলং-এর তাপমাত্রা কমে হয়েছে ২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্য দিকে, কল্পাতে দিনের বেলাতেই হিমাঙ্কের নীচে রয়েছে তাপমাত্রা। 


সিমলা (৬.৫ সেলসিয়াস), ডালহৌসি (২.৩ সেলসিয়াস), মানালি (৩.৮ সেলসিয়াস) এবং কুফরিতে (৩.৯ সেলসিয়াস) নেমে গিয়েছে তাপমাত্রা। 


কেন্দ্রীয় আবহাওয়া মন্ত্রক জানিয়েছে, প্রবল তুষারপাতের সঙ্গে শুরু হয়েছে হালকা বৃষ্টিপাত। মন্ত্রক জানিয়েছে, মানালি এবং জুব্বলে ১৬ মিলিমিটার, বনজরে ৬ মিলিমিটার, ওয়াংটুতে ৪ মিলিমিটার এবং ধর্মশালায় ২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতেও পর্যটকদের রোখা যায়নি। হিমালয়ের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ভিড় উপচে পড়ছে। বরফ দেখতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ আসছেন সিমলা, মানালি, ডালহৌসির মতো শহরে। করোনা অতিমারীর জেরে পর্যটকরা এবার সেভাবে বেড়াতে আসেননি। তবে বরফ পড়তেই ভিড় জমাচ্ছেন পর্যটকরা। ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা খুশিতে ডগমগ।




Post a Comment

Thank You for your important feedback

أحدث أقدم