
শনিবারই পর্যায়ক্রমে লকডাউন তোলার কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তাতে মল, হোটেল, রেস্তোরাঁ, ধর্মীয় স্থান, আন্তঃরাজ্য পরিবহন সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক ছাড় দেওয়া হয়েছে। পুরোপুরি লকডাউন থাকছে শুধু কনটেনমেন্ট এলাকাতেই। সেখানে লকডাউন থাকছে ৩০ জুন পর্যন্ত। এছাড়া, নৈশ কার্ফুর মেয়াদও কমিয়ে রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত করা হয়েছে। এই অবস্থায় তামিলনাড়ু, হিমাচলপ্রদেশ, পাঞ্জাব, হরিয়ানা সরকার জানিয়ে দিয়েছে, সেসব রাজ্যে ৩০ জুন পর্যন্ত লকডাউন চলবে। মধ্যপ্রদেশে লকডাউন থাকছে ১৫ জুন পর্যন্ত। ধর্মীয় স্থান খোলার বিরোধী কেরল। উদ্বিগ্ন মহারাষ্ট্রও। ধর্মস্থান খুলছে না তামিলনাড়ুও। কেন্দ্রের ঘোষণার আগেই ধর্মীয় স্থান খোলার কথা জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। দিল্লি আরও ৪ দিন সেলুন বন্ধ রাখছে। এছাডৃা, মেট্রো, লোকাল ট্রেন না চললে অফিসে হাজিরা কীভাবে সম্ভব তা নিয়েও চিন্তায় রাজ্যগুলি। সেই রাজ্যগুলিতে এখনই হোটেল, রেস্তোরাঁ খোলার সম্ভাবনা নেই। এছাড়া, আরও রাজ্য নিজেদের মতো করে আরও নিয়ন্ত্রণ জারি করতে পারে। কেন্দ্র জানিয়েছে, দ্বিতীয় পর্যায়ের আনলকে জুলাই মাসে স্কুলকলেজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে। তৃতীয় পর্যায়ে মেট্রো, আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল, সুইমিং পুল, জিম খোলার সিদ্ধান্ত হবে।
إرسال تعليق
Thank You for your important feedback