
হুবহু এক দেখতে। তিনি আর সচিন তেন্ডুলকর যে আলাদা লোক, দেখে কে বলবে! দীর্ঘদিন টেলিভিশনের বহু বিজ্ঞাপনী ফিল্মে তিনি ছিলেন সচিনের ডাবল। কিন্তু করোনাভাইরাস তাঁর জীবনই বদলে দিয়েছে। তিনি ৫০ বছরের বলবীর চাঁদ। আদেত পাঞ্জাবের বাসিন্দা। কাজ করতেন মুম্বইয়ের এক ফাস্ট ফুড চেনের ব্রান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে। লকডাউনে বন্ধ হয়ে গিয়েছে সেই কাজের জায়গা। তাই সপরিবারে পাঞ্জাবে ফিরতে হয় পাঞ্জাবের শাহলোনের বাড়িতে। ১০ জুন পরীক্ষায় ধরা পড়ে তিনি এবং তাঁর পরিবার করোনায় আক্রান্ত। তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এখন তিনি আইসোলেশন ওয়ার্ডের বাইরে। ১৯৯৯ সালে টেস্টের সময় কমেন্টারি বক্সে বলবীরকে ডাকেন সচিন। পরে মাস্টার ব্লাস্টারের সঙ্গে দেখা করাতে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় তাজ হোটেলে। তাঁর ৬টি ছবিতে তিনি সচিনকে সই করতে বলেন। সই করার সময় বলবীর সচিনকে বলেন, ‘এগুলো আমার ছবি, আপনার নয়।’ অবাক হয়ে তাঁর দিকে হেসে তাকান সচিন। তারপর থেকেই বলবীর এমআরএফ, তোসিবা, রেনল্ডস, টিভিএসের বিজ্ঞাপনে সচিনের বদলি হিসেবে কাজ করেন। বলিউডের ফিল্মে সচিনের ভূমিকায় কাজ করেছেন তিনি। দোকান উদ্বোধনেও ডাক পড়ত তাঁর।
إرسال تعليق
Thank You for your important feedback