
প্রেমিকার বাড়ির ছাদ থেকে নীচে পড়ে মৃত্যু হল এক যুবকের। প্রেমিকার পরিবারের দাবি আত্মহত্যা করেছে সে। অপরদিকে যুবকের পরিবারের দাবি, খুন করা হয়েছে তাঁকে। নদিয়ার হরিণঘাটা থানা এলাকার ঘটনা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিণঘাটার সুরেন্দ্রনগরের বাসিন্দা প্রিয়া মজুমদারের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল রঘুনাথপুরের ভৌমিকপাড়ার বাসিন্দা ভবতোষ দেবনাথের। প্রায় ১০ বছরের সম্পর্ক ছিল দুজনের। ভবতোষ বর্তমানে কর্মসূত্রে তুরস্কে থাকতেন। কিন্তু ছুটি নিয়ে বাড়িতে ফেরার পরই লকডাউন চালু হয়ে যায়। ফলে আর তুরস্কে ফিরতে পারেনি সে। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, রবিবার বিকেলে ভবতোষের ফোনে বারবার ফোন করে প্রিয়া। তাঁকে ফোন করে নিজের বাড়িতে ডেকে নেয় সে। এরপর রাতের দিকে ভবতোষের মৃত্যুর খবর পৌঁছায় তাঁর বাড়িতে। তাঁদের অভিযোগ, প্রেমিকা প্রিয়া তাঁকে ছাদ থেকে ফেলে দিয়েছে। কারণ, বিদেশ থেকে সমস্ত টাকা প্রিয়ার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেই পাঠাতেন ভবতোষ। এখন কাজে যেতে না পারায় আর টাকা পাঠাতে পারেননি। এই নিয়ে দুজনের সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়। পাশাপাশি ইদানিং অন্য একজনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে প্রিয়ার। সেই কারণেই এই খুন বলে অভিযোগ ভবতোষের পরিবারের। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে প্রিয়ার পরিবার। তাঁদের দাবি, নিজেই ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে ভবতোষ। হরিণঘাটা থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। প্রিয়া ও তাঁর পরিবারের কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
إرسال تعليق
Thank You for your important feedback