ঘূর্ণিঝড় আমফানের ত্রাণ অমিল। পাশাপাশি যেটুকু ত্রাণ আসছে তাতেও স্বজনপোষণের অভিযোগ উঠছে শাসকদলের নেতাদের বিরুদ্ধে। এরই প্রতিবাদে সোমবার দক্ষিণ ২৪ পরগণার সাগরের ধসপাড়া সুমতিনগর-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের অফিস ব্যাপক ভাঙচুর করলেন গ্রামবাসীরা। এছাড়া প্রাপ্য ত্রাণের দাবিতে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয় পঞ্চায়েত সদস্যদের বাড়িতেও। বিশাল পুলিশবাহিনীর চেষ্টায় দীর্ঘক্ষণ পর আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগরের ধসপাড়া সুমতিনগর-১ গ্রাম পঞ্চায়েতে দুর্গতদের যে তালিকা তৈরি হয়েছে তাতে নাম নেই প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদেরই। তার জায়গায় নাম রয়েছে পঞ্চায়েত প্রধান ও সদস্যদের আত্মীয় পরিজনদের। এরই প্রতিবাদে সোমবার দুপুরে বিক্ষোভ শুরু হয় গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের সামনে। ঘটনাস্থলে সাগর থানার পুলিশ গেলে বিক্ষোভকারীদের সাথে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। এরপরই পঞ্চায়েত অফিসে জোর করে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় উন্মত্ত জনতা। ঘটনার জেরে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। পঞ্চায়েত প্রধান শোভা মাইতিও গুরুতর আহত হয়েছেন। পরে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য সাগরিকা আড়ি ও গয়ারাম মণ্ডলে বাড়িতে চড়াও হয়ে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। এমনকি সাগরিকা আড়ির বাড়িতে আগুণ লাগিয়ে দিয়েছেন উত্তেজিত জনতা। এরপরই বিশাল পুলিশবাহিনী পৌঁছে যায় সেখানে। পুলিশই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে। সাগরের তৃণমূল বিধায়ক বঙ্গিম হাজরা অবশ্য জানিয়েছেন, নাম অনুযায়ী ত্রাণ আসছে, তাই কিছু লোকের ত্রাণ পেতে দেরী হচ্ছে। তিনি এই বিক্ষোভ-ভাঙচুরের জন্য বিজেপিকেই দায়ী করেছেন। যদিও তৃণমূলের পতাকা নিয়েও অনেককে বিক্ষোভে সামিল হতে দেখা গিয়েছে এদিন।

إرسال تعليق
Thank You for your important feedback