
করোনা মহামারীর জন্য দীর্ঘ তিনমাস বন্ধ ছিল খেলাধুলার আসর। গত মরশুমে আইএসএল-এর ফাইনাল ম্যাচ ফাঁকা স্টেডিয়ামে করতে হয়েছে। আবার মাঝপথে বন্ধ হয়ে যাওয়া আই লিগের বাকি ম্যাচ বাতিল করতে হয়েছে। যদিও পয়েন্টের নিরীখে ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকা মোহনবাগান ক্লাবকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করতে অসুবিধা হয়নি অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনকে (AIFF)। কিন্তু এই মরশুমে কি হবে এই নিয়ে চিন্তায় ছিলেন ভারতের ফুটবলপ্রেমীরা। সোমবার কলকাতায় বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত ফুটবল বিষয়ক একটি ওয়েব সেমিনারে যোগ দিয়ে খোলসা করলেন ফেডারেশনের সচিব কুশল দাস। তিনি জানিয়েছেন, চলতি বছর নভেম্বরে আইলিগ হবে কলকাতায় এবং আইএসএল হবে গোয়ায়। কেন এই দুই শহরেই শুধু গোটা টুর্নামেন্টের আয়োজন করতে চলেছে ফেডারেশন? এই প্রশ্নের উত্তরে কুশল দাস জানান, রুদ্ধদ্বার স্টেডিয়ামে ম্যাচ করানো, খেলোয়ারদের কোভিড টেস্ট করানো সহ একাধিক স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ম্যাচগুলি করাতে হবে। এত সব সুরক্ষাবিধি মেনে একাধিক শহরে আই লিগ ও আইএসএলের ম্যাচ করানো কার্যত অসম্ভব। পাশাপাশি এই দুই শহরেই রয়েছে একাধিক স্টেডিয়াম। তাই কলকাতা ও গোয়াতেই ভারতের দুটি প্রিমিয়াম ফুটবল লিগের আয়োজন করতে চায় ফুটবল ফেডারেশন। কলকাতায় যুবভারতীর পাশাপাশি রয়েছে বারাসত, কল্যাণী ও হাওড়া স্টেডিয়াম। যেখানেই সহজেই আই লিগের ম্যাচ করানো সম্ভব। অপরদিকে ইস্টবেঙ্গলের আইএসএল খেলার সম্ভাবনা নিয়ে কুশল দাস বলেন, ‘আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করেই নয়া লিগে আসুক ইস্টবেঙ্গল’। তাঁর ব্যাখ্যা, ইস্টবেঙ্গল আইএসএল খেলুক তা আমরাও চাই। এবছর যদি যাবতীয় নিয়ম-কানুন পালন করতে তারা অক্ষম হয়, তাহলে পরের বছর খেলবে। আসলে আমি চাই আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য পাওয়ার পর ইস্টবেঙ্গল আইএসএল খেলুক।
Post a Comment
Thank You for your important feedback