
চোপড়ায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুলিশ বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালাচ্ছে। এমনকি নিহত ছাত্রীর বাবা ও দাদাদের পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়েছে। সোমবার রাত থেকে এই অভিযোগে ফের উত্তাল চোপড়া। উল্লেখ্য, রবিবার বিকেল থেকেই উত্তেজনা কমেনি চোপড়ায়। সোমবার বিকেল পর্যন্ত এলাকা থমথমেই ছিল। কিন্তু সোমবার সন্ধের পর থেকে পরিস্থিতি ফের খারাপ হতে শুরু করে। নিহত কিশোরীর বাবা, দাদা, কাকা-সহ পরিবারের মোট পাঁচজনকে আটক করে পুলিশ। এরই প্রতিবাদে সোমবার রাতেই চোপড়া থানার সামনে তুমুল বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। তাঁদের দাবি, ঘটনার মোড় অন্যদিকে ঘোরাতেই এই আটকের ঘটনা।

উল্লেখ্য, গত রবিবার চোপড়ার সদ্য মাধ্যমিক উত্তীর্ণ এক বিজেপি নেতার বোনকে ধর্ষণ করে খুন করার অভিযোগ ওঠে। এরপরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে চোপড়া। সোমবারই ওই একই জায়গায় এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ায় রহস্য ক্রমশ ঘনীভূত হয়েছে। পুলিশের দাবি, ধর্ষণ নয়, বিষক্রিয়াতেই মৃত্যু হয়েছে ওই কিশোরীর। আবার উদ্ধার হওয়া যুবকই মূল অভিযুক্ত বলে দাবি এলাকাবাসীর। ফলে গোটা ঘটনায় রাজনৈতিক রঙ লাগে। বিজেপির দাবি ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেই খুন করা হয়েছিল। অভিযোগের তির শাসকদলের দিকেই। অপরদিকে শাসকদলের দাবি, আত্মহত্যার ঘটনা ধর্ষণ বলে এলাকা উত্তপ্ত করছে বিজেপি। এই পরিস্থিতিতে ওই কিশোরীর বাবা-দাদা সহ পরিবারের পাঁচজনকে আটক করার পরই ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। বিজেপির বিক্ষোভে চোপড়া থানা চত্বরে বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়। মঙ্গলবারও এলাকা থমথমে রয়েছে।
إرسال تعليق
Thank You for your important feedback