এক নম্বরের জন্য ফুল মার্কস হল না চারজনের


মাত্র এক নম্বরের জন্য ফুল মার্কস হল না বাঁকুড়ার বড়জোড়া হাইস্কুলের গৌরব মণ্ডলের। উচ্চ মাধ্যমিকে গৌরব পেয়েছে ৪৯৯ নম্বর। তারইসঙ্গে এই তাক লাগানো নম্বর পেয়েছে কলকাতার স্রোতশ্রী রায়, বাঁকুড়ার কেন্দুয়াডিহি হাইস্কুলের অর্পণ মণ্ডল এবং হুগলি কলেজিয়েট স্কুলের ছাত্র ঐক্য বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকারিভাবে মেধা তালিকা প্রকাশিত না হলেও গৌরবের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত তার জেলা। তার ঠিক পিছনেই এক নম্বরের তফাতে নীলাব্জ দাস। মালদার নীলাব্জ নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনেরর ছাত্র। তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৮। এতটা আশা করেননি সে। মালদা শহরের মখদুমপুর এলাকায় তার বাড়ি। একই নম্বর পেয়ে সম্ভাব্য দ্বিতীয় বনগাঁ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র দেবার্ঘ্য চক্রবর্তী।

সেও পেয়েছে ৪৯৮। তার বাবা পেশায় স্কুল শিক্ষক। বাড়ি বনগাঁ রেটপাড়া এলাকায়। ভবিষ্যতে ডাক্তার হতে চায় সে। একই নম্বর পেয়েছে মেদিনীপুর শহরের অনীক জানা। ৯৮ শতাংশ নম্বর নম্বর পেয়েছে। মেদিনীপুরের রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র অনীক। বাড়ি মেদিনীপুর শহরের পঞ্চম স্থান অর্জন করেছিল। এই সে ভবিষ্যতে পদার্থ বিজ্ঞানী হতে চায়। ৪৯৮ পেয়েছে জয় মণ্ডলও। সে রায়গঞ্জ করোনেশন হাইস্কুলের ছাত্র।



 এরপরই রয়েছে রাহুল মজুমদার প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৭। রাহুলও নরেন্দ্রপুরের রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়ের ছাত্র। কোচবিহার জেনকিনস স্কুলের ছাত্র কৃষ্টি ধর পণ্ডিত ৪৯৬ নম্বর পেয়েছে। একই নম্বর মালদা আক্রমনি ইন্সটিটিউশনের ছাত্র নবারুণ সরকারের। আলিপুরদুয়ারের কামাখ্যাগুড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের ময়ূখ নন্দী পেয়েছে ৪৯৫। ৪৯৪ পেয়েছে দার্জিলিঙের শ্রী নরসিংহ বিদ্যাপীঠের সায়ন্তিকা রায়। কুশল ভট্টাচার্য, ৪৯৩ পেয়েছে ব্যবর্তারহাট আদর্শ হাইস্কুলের কুশল ভট্টাচার্য।
 

Post a Comment

Thank You for your important feedback

Previous Post Next Post