
আবারও নৃশংস গণধর্ষণের ঘটনা রাজ্যে। এবার উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়া থানার গোপালপুর ১নং গ্রাম পঞ্চায়েতের মুন্সিঘেরি নতুনপাড়ার ঘটনা। অভিযোগ এক আদিবাসী তরুণী বধূকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে একদল দুষ্কৃতী। ওই গৃহবধূকে বাড়ির অদূরেই মেছো ভেড়িতে অর্ধনগ্ন অবস্থায় হাত-পা বেঁধে ফেলে রেখে পালায় দুষ্কৃতীরা। পরবর্তী সময়ে গ্রামবাসীরা ওই অবস্থায় গৃহবধূকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তাঁকে প্রথমে হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতাল ও পরে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায় স্থানীয় বাসিন্দারা। ওই গৃহবধূর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। আর এই ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারির দাবিতে গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখায় এদিন। যদিও ওই নির্যাতিতার বয়ানের ভিত্তিতে চারজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করেছে হাড়োয়া থানার পুলিশ। যদিও অভিযুক্তরা পলাতক বলেই পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তাঁদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। তবে বৃহস্পতিবার বেলার দিকে অবিলম্বে ৪ দুষ্কৃতীকে গ্রেফতারের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে ও টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছে গ্রামবাসীরা। এই ঘটনায় হাড়োয়া এলাকায় যথেষ্ট উত্তেজনা রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, গতকাল রাতেই ওই এলাকায় ব্যাপক বোমাবাজি হয়। এর ফলে গ্রামের কয়েকজন পুরুষ গ্রাম ছেড়ে পালায়। যার মধ্যে ওই নির্যাতিতার স্বামীও ছিলেন। ফলে এই সুযোগেই বধূকে মেছো ভেড়িতে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে ওই চার দুষ্কৃতী।

إرسال تعليق
Thank You for your important feedback