
রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ফের লকডাউনের পথে হেঁটেছে নবান্ন। তবে এবারের লকডাউন কিছুটা আলাদা। সপ্তাহের যে কোনও দুদিন এই লকডাউন হবে, যেমন চলতি সপ্তাহে বৃহস্পতিবার ও শনিবার চলবে সম্পূর্ণ লকডাউন। আজ বৃহস্পতিবার এই পর্যায়ের প্রথম লকডাউনে রাজ্যজুড়ে স্বস্তির চিত্র ফুটে উঠছে। কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তেই কড়া লকডাউন পালন হচ্ছে। রাস্তায় যানবাহনের দেখা নেই, সমস্ত দোকানপাট বন্ধই রয়েছে। রাস্তাঘাট একেবারেই ফাঁকা। ফলে করোনা বিধি মেনে চলা নিয়ে সাধারণ মানুষের অনীহা নিয়ে চিন্তিত প্রশাসনিক কর্তাদের কাছে সাময়িক স্বস্তি দিচ্ছে আজকের লকডাউন।


এদিন শহরের ও শহরতলির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় সক্রিয় রয়েছে পুলিশ। মোড়ে মোড়ে পুলিশ নাকা চেকিং করছেন। রাস্তায় বের হওয়া সমস্ত গাড়ি ও বাইকই পরীক্ষা করা হচ্ছে প্রয়োজনেই তাঁরা বেরিয়েছেন কিনা দেখতে। এমার্জেন্সি সার্ভিসের সঙ্গে যুক্ত ব্যাক্তিদের গাড়ি বা বাইকই একমাত্র ছাড়া হচ্ছে। বাকিদের বাড়ি ফিরিয়ে দিচ্ছে পুলিশ। এমনকি কোথাও কোথাও গাড়ি আটক করছে পুলিশ। কোথাও কোথাও রাস্তায় ব্যারিকেড করেছে পুলিশ। কড়া লকডাউন লাগু করতে বাঁকুড়ার সঙ্গে পশ্চিম বর্ধমানের যোগাযোগকারী মেজিয়া সেতু সিল করল মেজিয়া থানার পুলিশ। আটকে দেওয়া হয়েছে সমস্ত ছোট ও বড় যান চলাচল। একই চিত্র আসানসোল, দুর্গাপুর, ব্যারাকপুর, বর্ধমান, শিলিগুড়ি, মুর্শিদাবাদ, মালদা পুরুলিয়া জেলাতেও।


রাস্তাও কোথাও কেউ বিনা কারণে বের হলেই ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে তাঁদের। অপরদিকে, উত্তর ২৪ পরগণা জেলার ব্যারাকপুর, নৈহাটি ও বরাহনগর পুরসভায় আলাদা করে সাতদিনের লকডাউন জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে কলকাতা বিমানবন্দরে অন্যান্য শহর থেকে আসা যাত্রীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করল বিধাননগর পুলিশ। যাত্রীদের যাতে বাড়ি ফিরতে কোনও অসুবিধা না হয়, তার জন্য প্রিপেইড ট্যাক্সি ও বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে কলকাতা বিমানবন্দরে।

Post a Comment
Thank You for your important feedback