
গান্ধি পরিবারের চোখে তাঁকে হেয় করতে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তিনি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন না। পরিষ্কারভাবে তিনি জানিয়েছেন, তিনি এখনও কংগ্রেসেরই একজন। বিজেপিকে হারাতে তিনি প্রাণপণ লড়াই করেচেন। বুধবার তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপ জানাতে ডাকা সাংবাদিক বৈঠকও তিনি বাতিল করে দিয়েছেন। এদিকে, উপমুখ্যমন্ত্রী ও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে বহিষ্কারের পর শচিন পাইলট ও তাঁর ১৭ জন অনুগামীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ ধরানো হয়েছে। রাজস্থান বিধানসভার সি পি যোশী কেন তাঁদের বরখাস্ত করা হবে না তার জবাব ১৭ জুলাইয়ের মধ্যে দিতে বলেছেন। বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও পাইলট দুবার কংগ্রেস পরিষদীয় দলের বৈঠকে হাজির হননি। পাইলটের জায়গায় নতুন প্রদেশ সভাপতি করা হয়েছে ওবিসি নেতা প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী গোবিন্দ সিং দোস্তারাকে। যুব কংগ্রেসের সভাপতি নিযুক্ত হয়েছেন মুকেশ ভাস্কর। পাইলট অনুগত দুই মন্ত্রী বিশ্বেন্দ্র সিং ও রমেশ মিনাকে সরিয়ে দেওয়ার পর এদিনই মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলত মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকেছেন। সেখানে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ নিয়ে কথা হবে। এরই পাশাপাশি সক্রিয় হয়েছে বিজেপিও। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া এদিনই জয়পুরে পৌঁছেছেন। তিনি বিজেপি পরিষদীয় দলের সঙ্গে বৈঠকও করবেন।
Post a Comment
Thank You for your important feedback