সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে কলকাতার মোট আটটি হাসপাতালে ৯ ঘণ্টা ঘুরেও কোথাও ভর্তি করতে পারেননি তাঁরা। বাঘাযতীনের বাসিন্দা পিয়ালি সরকার ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের এমনই মর্মান্তিক অভিজ্ঞতা। পিয়ালির করোনার রিপোর্ট নেগেটিভ হলেও শ্বাসকষ্ট ছিল প্রবল। অক্সিজেনের প্রয়োজন থাকলেও তা মেলেনি। আটটি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল ছাড়াও ফোনে আরও পনেরোটি নার্সিংহোম, বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করেও মেলেনি বেড। রাত আটটা থেকে ঘুরে ভোর পাঁচটায় যখন বাঘাযতীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় ৩৫ বছরের পিয়ালি সরকারকে, তখনও তিনি শ্বাসকষ্টে ছটফট করছেন। অক্সিজেন দেওয়া শুরু করার মিনিট কুড়ি পরেই হাসপাতাল জানায়, রোগী ভর্তি হবে না। ফেরত নিয়ে যেতে হবে। বাঘাযতীন হাসপাতাল থেকে গেট পর্যন্ত হেঁটে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে গিয়েই মৃত্যু হয় ৬ বছরের ছেলের মা পিয়ালি সরকার। বেশ কিছুদিন জ্বরে ভুগছিলেন পিয়ালি। করোনার টেস্ট হলেও রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। পরিবার জানান, ব্যক্তিগত চেম্বারে বাঘাযতীন হাসপাতালেরই এক ডাক্তার তাঁকে দেখে নিউমোনিয়ার জন্য কোথাও ভর্তি করে অক্সিজেন দেওয়ার কথা বলেন। শুক্রবার রাত আটটায় তাঁকে নিয়ে তাঁর স্বামী, কাকা সহ পরিবারের সদস্যরা গাড়ি করে হাসপাতালে রওনা দেন। কোনও ফল হয়নি। তবে মৃত্যুর পাঁচ ঘন্টা পরে সকাল দশটায় স্বাস্থ্যভবন থেকে অবস্থা জানার জন্য ফোন অবশ্য এসেছিল।
সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে কলকাতার মোট আটটি হাসপাতালে ৯ ঘণ্টা ঘুরেও কোথাও ভর্তি করতে পারেননি তাঁরা। বাঘাযতীনের বাসিন্দা পিয়ালি সরকার ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের এমনই মর্মান্তিক অভিজ্ঞতা। পিয়ালির করোনার রিপোর্ট নেগেটিভ হলেও শ্বাসকষ্ট ছিল প্রবল। অক্সিজেনের প্রয়োজন থাকলেও তা মেলেনি। আটটি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল ছাড়াও ফোনে আরও পনেরোটি নার্সিংহোম, বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করেও মেলেনি বেড। রাত আটটা থেকে ঘুরে ভোর পাঁচটায় যখন বাঘাযতীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় ৩৫ বছরের পিয়ালি সরকারকে, তখনও তিনি শ্বাসকষ্টে ছটফট করছেন। অক্সিজেন দেওয়া শুরু করার মিনিট কুড়ি পরেই হাসপাতাল জানায়, রোগী ভর্তি হবে না। ফেরত নিয়ে যেতে হবে। বাঘাযতীন হাসপাতাল থেকে গেট পর্যন্ত হেঁটে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে গিয়েই মৃত্যু হয় ৬ বছরের ছেলের মা পিয়ালি সরকার। বেশ কিছুদিন জ্বরে ভুগছিলেন পিয়ালি। করোনার টেস্ট হলেও রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। পরিবার জানান, ব্যক্তিগত চেম্বারে বাঘাযতীন হাসপাতালেরই এক ডাক্তার তাঁকে দেখে নিউমোনিয়ার জন্য কোথাও ভর্তি করে অক্সিজেন দেওয়ার কথা বলেন। শুক্রবার রাত আটটায় তাঁকে নিয়ে তাঁর স্বামী, কাকা সহ পরিবারের সদস্যরা গাড়ি করে হাসপাতালে রওনা দেন। কোনও ফল হয়নি। তবে মৃত্যুর পাঁচ ঘন্টা পরে সকাল দশটায় স্বাস্থ্যভবন থেকে অবস্থা জানার জন্য ফোন অবশ্য এসেছিল।
Etai holo West Bengal er free treatment
ReplyDeletePost a Comment
Thank You for your important feedback