
প্রথমে লকডাউন পরে আনলক ১, এই দুই শব্দ নিয়ে কার্যত দিশেহারা সাধারন মানুষ। তখনই গোদের উপর বিষফোঁড়ার মত এল বিদ্যুৎ বিল। আর সেটা একেবারেই লাগামছাড়া। যা দেখে মাথায় হাত পড়েছে নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষদের। করোনা ও লকডাউন পরিস্থিতিতে কারোর মাসিক বিদ্যুৎ বিল এসেছে ১৫ হাজার টাকা, তো কারোর আসছে ২০ হাজার টাকা। আর এই বিদ্যুতের বিল বিভ্রাটে জেরবার টলিউডও।
অভিনেতা থেকে পরিচালক ভুতুরে বিল থেকে বাদ জাননি কেউই। জনপ্রিয় নায়ক অঙ্কুশের পর মাথায় হাত এবার পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়েরও। তিনি নিজেই সেই বিলের ছবি ট্যুইট করেছেন। নিজেরট্যুইটার হ্যান্ডেলে টলিউডের পরিচালক লিখেছেন, ‘আমরা তিনজন। অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন আমাদের। বিশেষ করে এরম অনিশ্চিত সময়ে আরও খরচ সামলে চলেছি সবাই। খুব গরম দুপুর একটি ও রাতে শোবার সময় দুটি AC চলে। কোনোদিন একসঙ্গে তিনটি AC চলে না আমাদের বাড়িতে। সবই LED আলো! তাও বারবার এরকম বিল! বিকল্প নেই! অসহায়! আগের বিল ছিল ১৬ হাজার’! সেই সঙ্গে ১৯,৯০০ টাকার বিলের ছবিটিও পোস্ট করেছেন তিনি।

ট্যুইটারে জুলাই মাসের ইলেকট্রিক বিলের ছবি দিয়ে অভনেতা অঙ্কুশ হাজরাও প্রতিবাদ জানিয়েছেন অস্বাভাবিক বিলের প্রতিবাদে। তিনি আরও জানতে চান, যেখানে প্রতি মাসে তাঁর গড় বিল ৪০০০ টাকা আসে সেখানে কীভাবে একলাফে তা ২১০০০ হয়ে গেল?

লক ডাউন পরবর্তী সময়ে অস্বাভাবিক বিল নিয়ে অনেক অভিযোগ আসছে। গ্রাহকদের হয়রানি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। বাড়তি বিদ্যুতের বিল নিয়ে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষোভ জানাতে শুরু করেছেন গ্রাহকরা। শুক্রবার সিইএসসির কর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেন মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। কেন এই বিপুল অঙ্কের বিল পাঠানো হয়েছে গ্রাহকদের তার ব্যখ্যা চেয়েছেন তিনি। ব্যখ্যা সন্তোষজনক না হলে আবারও তিনি ডেকে পাঠাবেন সিইএসসি-কে এমনটাও জানিয়েছেন তিনি। এরমধ্যেই কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে লাগামছাড়া বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অসোন্তোষ প্রকাশ করছেন বিভিন্ন স্তরের মানুষ।
Post a Comment
Thank You for your important feedback