
লকডাউনের জেরে কাজকর্ম না থাকায় মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন নদিয়ার নবদ্বীপ থানার মাজদিয়া বেলতলার যুবক দীপঙ্কর মালাকার (৩০)। এই পরিস্থিতিতে বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হন তিনি। ছেলের এই অকালে চলে যাওয়া মেনে নিতে পারেননি বৃদ্ধ বাবা। শুক্রবার তাঁরও ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতের নাম দিলীপ মালাকার (৬০)। মর্মান্তিক এই ঘটনায় শোকে পাথর গোটা পরিবার। শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, দীপঙ্কর একটি হোটেলে কাজ করতেন।

অভাবের সংসারে তিনিই ছিলেন একমাত্র রোজগেরে। কিন্তু করোনা কালে চলছে দীর্ঘ লকডাউন। ফলে বন্ধ হয় রোজগার। ফলে চরম আর্থিক সমস্যায় পড়ে পরিবার। এমনকি বৃদ্ধ বাবা-মায়ের চিকিৎসার খরচও জোগার করতে পারছিল না সে। ফলে সংসার চালাতে না পেরে মানসিক অবসাদে ভুগতে শুরু করে দীপঙ্কর। তিনদিন আগেই সে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। বৃহস্পতিবার রাতেই শক্তিনগর হাসপাতালে মৃত্যু হয় দীপঙ্করের। খবর পেয়েই শোকে পাথর হয়ে পড়েন বৃদ্ধ দিলীপবাবু। ঘন্টাখানেকের মধ্যেই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হন তিনি। পুলিশের অনুমান ছেলের এই পরিণতি মানতে না পেরেই এই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বৃদ্ধ বাবা।
إرسال تعليق
Thank You for your important feedback