করোনা আতঙ্কে মৃতদেহ ছুঁল না পরিবার-প্রতিবেশী, পুলিশ দাহ করল দেহ




করোনা আতঙ্কে সারারাত মৃতদেহ পড়ে থাকলো বাড়িতেই। দাহ করতে এগিয়ে এলেন না কেউ। অবশেষে পুলিশের উদ্যোগে প্রায় ১৮ ঘন্টা পর দাহ হল মৃত ব্যক্তির। মর্মান্তিক ঘটনাটি পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া থানার ফকিরগঞ্জ গ্রামের। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতায় ফলের ব্যবসায়ী গুরুচরণ মেটা (৫৬) বৃহস্পতিবার বিকেলে মারা যান। কয়েকদিন ধরে জ্বর নিয়ে বাড়িতেই ছিলেন তিনি। তবে সেই সঙ্গে তাঁর হাঁপানি ও হৃদরোগজনিত সমস্যাও ছিল। ওই ব্যবসায়ীর মৃত্যুর পরই করোনা আতঙ্ক গ্রাস করে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের। অভিযোগ এরপর দেহ কেউ ছুঁয়েই দেখেননি। বিকেল থেকেই দেহ পড়ে থাকলো ঘরে। শুক্রবার সকালে খবর যায় পাঁশকুড়া থানায়। এরপরই দুপুরের দিকে পুলিশ যায় ওই গ্রামে। পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ দেহটি দাহ করার ব্যবস্থা করে। এরপরই দেখা যায় পিপিই কিট পড়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা দেহটি বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে যাচ্ছে। পাঁশকুড়া থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যবসায়ী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মারা গিয়েছেন। তবুও বিতর্ক এড়াতে তাঁর পরিবারের দাবি মেনে এক গোপন জায়গায় মৃতদেহ সৎকার করা হয়েছে।

Post a Comment

Thank You for your important feedback

أحدث أقدم