বাড়ি থেকে ৫ কিলোমিটার আগে করোনা নেগেটিভ হওয়া রোগীকে রাস্তার পাশে নামিয়ে রেখে দিয়ে অমানবিকতার নজির রাখলেন এক অ্যাম্বুলেন্স চালক। দিন আটেক আগে করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়ে বারাসত কদম্বগাছি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন অশোকনগর পুরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ১৯ নম্বর কাঁকপুল এলাকার নির্মল দাস। নির্মলবাবু শাসক দলের প্রাক্তন কাউন্সিলর। পরিবারের অভিযোগ, শুক্রবার রাতে বাবার অবস্থা জানতে হাসপাতালে ফোন করলে তাঁরা জানতে পারেন নির্মলবাবুকে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের দাবি, তাঁদের না জানিয়ে ছুটি দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়, আপনার বাবাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে বাড়ি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কিন্তু সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি বাড়িতে না পৌঁছলে উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন পরিবারের লোকজন। তারই ভেতর প্রতিবেশী একজনের কাছ থেকে খবর আসে, অশোকনগর ৩ নম্বর রেলগেটের কাছে নির্মলবাবু রাস্তার পাশে শুয়ে আছেন। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে তিনি রাস্তার পাশে শুয়ে থাকেন যেখানে অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা। পরিবারের সবাই হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকায় এই খবর শোনার পরেও তারা তার নির্লবাবুকে উদ্ধার করতে যেতে পারেননি। পরে অশোকনগর পুরসভার প্রাক্তন সিআইসি সদস্য অনুপ রায়ের প্রচেষ্টায় তাঁকে ফের অ্যাম্বুলেন্সে করে গভীর রাতে বাড়িতে আনা হয়। প্রশ্ন উঠছে সরকারি হাসপাতাল এবং অ্যাম্বুলেন্স চালকের ভূমিকা নিয়ে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টি তদন্ত করে দেখার আশ্বাস দিয়েছে। এই বিষয়ে অশোকনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে অশোকনগর পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলার সঞ্জয় রাহার পক্ষ থেকে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।
বাড়ি থেকে ৫ কিলোমিটার আগে করোনা নেগেটিভ হওয়া রোগীকে রাস্তার পাশে নামিয়ে রেখে দিয়ে অমানবিকতার নজির রাখলেন এক অ্যাম্বুলেন্স চালক। দিন আটেক আগে করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়ে বারাসত কদম্বগাছি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন অশোকনগর পুরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ১৯ নম্বর কাঁকপুল এলাকার নির্মল দাস। নির্মলবাবু শাসক দলের প্রাক্তন কাউন্সিলর। পরিবারের অভিযোগ, শুক্রবার রাতে বাবার অবস্থা জানতে হাসপাতালে ফোন করলে তাঁরা জানতে পারেন নির্মলবাবুকে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের দাবি, তাঁদের না জানিয়ে ছুটি দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়, আপনার বাবাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে বাড়ি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কিন্তু সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি বাড়িতে না পৌঁছলে উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন পরিবারের লোকজন। তারই ভেতর প্রতিবেশী একজনের কাছ থেকে খবর আসে, অশোকনগর ৩ নম্বর রেলগেটের কাছে নির্মলবাবু রাস্তার পাশে শুয়ে আছেন। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে তিনি রাস্তার পাশে শুয়ে থাকেন যেখানে অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা। পরিবারের সবাই হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকায় এই খবর শোনার পরেও তারা তার নির্লবাবুকে উদ্ধার করতে যেতে পারেননি। পরে অশোকনগর পুরসভার প্রাক্তন সিআইসি সদস্য অনুপ রায়ের প্রচেষ্টায় তাঁকে ফের অ্যাম্বুলেন্সে করে গভীর রাতে বাড়িতে আনা হয়। প্রশ্ন উঠছে সরকারি হাসপাতাল এবং অ্যাম্বুলেন্স চালকের ভূমিকা নিয়ে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টি তদন্ত করে দেখার আশ্বাস দিয়েছে। এই বিষয়ে অশোকনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে অশোকনগর পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলার সঞ্জয় রাহার পক্ষ থেকে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।
إرسال تعليق
Thank You for your important feedback