২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে সল্টলেক সুকান্তনগরে একটা অফিস খুলে চাকরি দেওয়ার নাম করে এই প্রতারণা চক্র চলত। বিভিন্ন এলাকায় লোক ছড়িয়ে রেখেছিল তারা। কারও কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা, কারও কাছ থেকে ৯০ হাজার টাকা, আবার কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা নিত। বিভিন্ন রাজ্যে ২ মাস করে অফিস খুলে এই প্রতারণা চক্র চালানো হত। শনিবার রাতে হুগলি থেকে মহম্মদ সোহাব নামে এই চক্রের একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মহম্মদ সোহাব নামে এই ব্যক্তি সমীর ঘোষ নামে এই প্রতারণা চক্র চালাত। বাড়ি উত্তরপ্রদেশে। হুগলিতে গা ঢাকা দিয়ে ছিল। ২০১৯ সালে মার্চ মাসে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অভিযোগ হয়, বিদেশে তেলের কোম্পানিতে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়ে চাকরি দেয়নি। সল্টলেকের সুকান্তনগরের অফিস বন্ধ করে পালিয়েছে। অভিযোগ পেয়ে বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ তদন্তে নেমে গতকাল রাতে হুগলি থেকে মহম্মদ সোহাব ওরফে সমীর ঘোষকে গ্রেফতার করে। ধৃতের কাছ থেকে বিভিন্ন নথি এবং মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত আছে তার তদন্ত করছে বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ।
২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে সল্টলেক সুকান্তনগরে একটা অফিস খুলে চাকরি দেওয়ার নাম করে এই প্রতারণা চক্র চলত। বিভিন্ন এলাকায় লোক ছড়িয়ে রেখেছিল তারা। কারও কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা, কারও কাছ থেকে ৯০ হাজার টাকা, আবার কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা নিত। বিভিন্ন রাজ্যে ২ মাস করে অফিস খুলে এই প্রতারণা চক্র চালানো হত। শনিবার রাতে হুগলি থেকে মহম্মদ সোহাব নামে এই চক্রের একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মহম্মদ সোহাব নামে এই ব্যক্তি সমীর ঘোষ নামে এই প্রতারণা চক্র চালাত। বাড়ি উত্তরপ্রদেশে। হুগলিতে গা ঢাকা দিয়ে ছিল। ২০১৯ সালে মার্চ মাসে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অভিযোগ হয়, বিদেশে তেলের কোম্পানিতে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়ে চাকরি দেয়নি। সল্টলেকের সুকান্তনগরের অফিস বন্ধ করে পালিয়েছে। অভিযোগ পেয়ে বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ তদন্তে নেমে গতকাল রাতে হুগলি থেকে মহম্মদ সোহাব ওরফে সমীর ঘোষকে গ্রেফতার করে। ধৃতের কাছ থেকে বিভিন্ন নথি এবং মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত আছে তার তদন্ত করছে বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ।
إرسال تعليق
Thank You for your important feedback