
রাতের কলকাতায় ময়দান থানা এলাকায় বসেছিল মদ্যপানের আসর। সেই মদের আসরেই শুরু হয় বচসা। এই বচসার জেরেই ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন করা হল এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে। ইরসাদ হোসেন ওরফে সানি নামে ওই সিভিক ভলান্টিয়ার ময়দান থানায় কর্মরত ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। শনিবার মাঝরাতে ময়দান থানা এলাকার হেস্টিংস মাজারের কাছে ওই মদ্যপদের বচসা থামাতে গিয়েছিল সে। সেখানেই তাঁকে ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে ওই মদ্যপদের দল। এমনকি বিদ্যাসাগর সেতুর লোহার পাটাতনে তাঁর মাথা ঠুকে দেয় দুষ্কৃতীরা। তবে ওই সিভিক ভলান্টিয়ার সেসময় ডিউটিতে ছিলেন না বলেই জানা যাচ্ছে, তবুও তিনি বচসা থামাতে এগিয়ে গিয়েছিলেন। স্থানীয়রাই তাঁকে উদ্ধার করে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

এখানেই দেহ উদ্ধার হয়েছে…
চিকিৎসকদের প্রাথমিক অনুমান অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই মৃত্যু হয়েছে ইরসাদ হোসেন নামে ওই সিভিক ভলান্টিয়ারের। বছর তিরিশের ওই সিভিক ভলান্টিয়ারের পরিবারের দাবি, ঘোড়ার খাবার দিতে বাইরে বের হয়েছিল সে। তখনই বচসা ও মারামারি দেখে এগিয়ে যায় থামাতে। তাঁর বাড়ি খিদিরপুর এলাকায়, পারিবারিক ঘোড়ার ব্যবসায় দেখাশোনা করত সে। গভীর রাতেও বাড়ি না ফেরায় শুরু হয় খোঁজ। এরপরই হেস্টিংস মাজারের পাশের এক ঝোঁপ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। স্থানীয়দের বয়ানেই জানা যায়, একদল যুবকের মদ্যপান ও বচসার খবর। এরপরই গভীর রাতে পুলিশ তিনজনকে আটক করে। সিভিক ভলেন্টিয়ারের মৃত্যুতে ওই এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে।
Post a Comment
Thank You for your important feedback