সামাজিক দূরত্ববিধি শিকেয়, বন সহায়কের ফর্ম জমা দিতে লম্বা লাইন



বন সহায়ক পদের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে রাজ্যের বন দফতর। কিন্তু অনলাইনের পরিবর্তে অফলাইনেই চলছে ফর্ম জমা নেওয়ার কাজ। ফলে করোনার সামাজিক দূরত্ববিধি শিকেয় তুলে চাকরি পার্থীদের লম্বা লাইন দেখা গেল মেদিনীপুর শহরের ডিএফও অফিসের সামনে। সোমবার সকাল থেকেই কয়েক হাজার বেকার যুবক-যুবতীকে লাইনে দাঁড়াতে দেখা যায়। পোস্ট অফিসের মাধ্যমে সেই আবেদনপত্র পাঠানোর ব্যবস্থা থাকলেও এদিন অনেকেই ভিড় করেন মেদিনীপুর ডিএফও অফিসের সামনের রাস্তায়। যদিও দূরত্ববিধি মেনে অফিসের মূল গেট দিয়ে ভিতরে পাঁচজন করেই প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে বন বিভাগের আধিকারিকরা।
কিন্তু এর জেরে দীর্ঘক্ষণ রাস্তায় লম্বা লাইন তৈরি হয়ে যায়। সোশাল মিডিয়ায় এই ছবি ছড়িয়ে পড়তেই বেলার দিকে টনক নড়ে পুলিশের। মেদিনীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও কোতোয়ালি থানার আধিকারিকের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। তাঁরা কথা বলেন বন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে। পুলিশ সামাজিক দূরত্ব মেনে লাইন ঠিক করে দেয়। কিন্তু এই নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মেদিনীপুরের বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, করোনা মহামারীর মধ্যে কিভাবে এত বড় লাইন তৈরি হল? বন বিভাগ কেন আগে থেকে ব্যবস্থা নিল না? যদি ওই এলাকায় করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে তার দায় কে নেবে বলেও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
আর চাকরি প্রার্থীদের বক্তব্য, চাকরির ফর্ম এখন সব অনলাইনেই ফিলাপ করা হয় বর্তমানে। কিন্তু এটা কেন অফলাইনে নেওয়া হচ্ছে সেটা বোঝা যাচ্ছে না। বিশেষ করে এই করোনা কালে যেভাবে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে সেখানে এত লোকের লাইনে দাঁড়াতে ভয়ই করছে বলেও ক্ষোভ প্রকাস করেন অনেক চাকরি প্রার্থী।

Post a Comment

Thank You for your important feedback

Previous Post Next Post