অযোধ্যায় পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে স্বাগত জানান উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। লখনউ থেকে অযোধ্যা পৌঁছন তিনি। ভূমিপূজনের মঞ্চে মোদি ছাড়াও থাকছেন আরএসএসের প্রধান মোহন ভাগবত, রামজন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের চেয়ারম্যান নিত্যগোপাল দাস, উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল ও মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তবে রামমন্দির আন্দোলনের বহু পরিচিত মুখই থাকছেন না। লালকৃষ্ণ আদবানি, মুরলীমনোহর যোশী, কল্যাণ সিং, উমা ভারতী করোনার কারণে দূরেই থাকছেন। তাঁরা যুক্ত থাকবেন ভিডিও কনফারেন্সে। মোদি চলে যাওয়ার পর অবশ্য যাবেন উমা। এদিকে, ভোরের আলো ফুটতেই উৎসাহে ফুটছে রামনগরী অযোধ্যা। কয়েক গোটা শহরের দেওয়া, বাড়িতে হলুদ রং করা হয়েছে। শোনা যাচ্ছে ভজনের আওয়াজ। কড়া নিরাপত্তা বলয়ে অযোধ্যা। বহু জায়গায় রয়েছে ব্যারিকেড। এদিন বহিরাগতদের প্রবেশ নিষেধ। কেবলমাত্র আমন্ত্রিতরাই ঢুকতে পারবেন। আমন্ত্রিত কেবল ১৭৫ জন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার আগে হনুমানগড়িতে পূজা ও দর্শন করবেন। তারপর যাবেন রামলাল্লা দর্শনে। মন্দিরপ্রাঙ্গনে রোপন করবেন পারিজাত চারা। চারিদিকে দেওয়ালির মতোই আলোকসজ্জা হয়েছে। সাজানো হয়েছে করসেবকপুরম, নয়াঘাটেও। করোনা মহামারীর জন্য নেওয়া হয়েছে সবরকম সতর্কতা। চতুর্দিকে রামের বিশাল বিশাল কাটআউট।
অযোধ্যায় পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে স্বাগত জানান উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। লখনউ থেকে অযোধ্যা পৌঁছন তিনি। ভূমিপূজনের মঞ্চে মোদি ছাড়াও থাকছেন আরএসএসের প্রধান মোহন ভাগবত, রামজন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের চেয়ারম্যান নিত্যগোপাল দাস, উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল ও মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তবে রামমন্দির আন্দোলনের বহু পরিচিত মুখই থাকছেন না। লালকৃষ্ণ আদবানি, মুরলীমনোহর যোশী, কল্যাণ সিং, উমা ভারতী করোনার কারণে দূরেই থাকছেন। তাঁরা যুক্ত থাকবেন ভিডিও কনফারেন্সে। মোদি চলে যাওয়ার পর অবশ্য যাবেন উমা। এদিকে, ভোরের আলো ফুটতেই উৎসাহে ফুটছে রামনগরী অযোধ্যা। কয়েক গোটা শহরের দেওয়া, বাড়িতে হলুদ রং করা হয়েছে। শোনা যাচ্ছে ভজনের আওয়াজ। কড়া নিরাপত্তা বলয়ে অযোধ্যা। বহু জায়গায় রয়েছে ব্যারিকেড। এদিন বহিরাগতদের প্রবেশ নিষেধ। কেবলমাত্র আমন্ত্রিতরাই ঢুকতে পারবেন। আমন্ত্রিত কেবল ১৭৫ জন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার আগে হনুমানগড়িতে পূজা ও দর্শন করবেন। তারপর যাবেন রামলাল্লা দর্শনে। মন্দিরপ্রাঙ্গনে রোপন করবেন পারিজাত চারা। চারিদিকে দেওয়ালির মতোই আলোকসজ্জা হয়েছে। সাজানো হয়েছে করসেবকপুরম, নয়াঘাটেও। করোনা মহামারীর জন্য নেওয়া হয়েছে সবরকম সতর্কতা। চতুর্দিকে রামের বিশাল বিশাল কাটআউট।
إرسال تعليق
Thank You for your important feedback