রামপুজো নিয়ে বিক্ষিপ্ত অশান্তি, বোমাবাজি গুলির অভিযোগ

   
 
উত্তর ২৪ পরগনার নারায়ণপুর রামনগরে রামপুজো ঘিরে মঙ্গলবার রাতে ব্যাপক বোমাবাজি ও গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগের তির বিধানগরের ডেপুটি মেয়র তাপস চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, তাপসবাবু এবং তাঁর অনুগামীরা পোস্টার, ব্যানার, হোর্ডিং ছিঁড়ে দেন। বোমাবাজি ছাড়াও বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চালানোরও অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থলে পুলিশ এবং তাপসবাবু গেলে তাঁদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। তাপসবাবু সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।জলপাইগুড়িতেও রামমন্দিরের সাজসজ্জা, হোর্ডিং ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জলপাইগুড়ি শহরের কংগ্রেস পাড়ার ঘটনা। রামনবমী উদযাপন কমিটির তরফে রাস্তার ধারে একটি মন্দিরে আয়োজন করা হয়েছিল রামপূজো, যজ্ঞের। কোতোয়ালি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে তা বন্ধ করে দেয়। পুলিশের বক্তব্য, রাস্তার পাশে সরকারি জমিতে পুজো করা যাবে না। বাধার মুখে পড়ে পুজোর আয়োজন সরিয়ে অন্যত্র নিয়ে যাওয় হয়। ধুপগুড়িতেও রাম পূজা বন্ধ করে অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে। শ্রীরামের মূর্তি গড়ে পূজার আয়োজন করেছিল ধুপগুড়ি শালবাড়ি এলাকার বাসিন্দারা। মাঝপথে এসে পুলিশি বাধা দেয় বলে অভিযোগ। হাওড়ার জগৎবল্লভপুরের গড়বালিয়া, ইছাপুরের হনুমান মন্দিরেও গোলমালের খবর এসেছে। অভিযোগ, জগৎবল্লভপুরে পুলিশ পুজো উদ্যোক্তাদের গ্রেপ্তার করার এবং কেস দেওয়ার ভয় দেখিয়ে উদ্যোক্তাদের মন্দিরের অস্থায়ী ছাউনি খুলতে বাধ্য করে। একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে কলকাতার কাশীপুরেও।

Post a Comment

Thank You for your important feedback

Previous Post Next Post