কলকাতা মেডিকেল কলেজের গ্রিন বিল্ডিংটাই ২০ জুলাই থেকে ঠিকানা দাস দম্পতির। নবদ্বীপ থেকে এক কাপড়ে বেরিয়েছেন জুলাই প্রথম সপ্তাহে। ইতিমধ্যে তিন হাসপাতালে চড়কি পাক খেয়ে এখন ঠাঁই কলকাতা মেডিকেলে। ছেলে মনোজ দাস ৩১৮ নং বেডে ভর্তি ২০ জুলাই থেকে। এর আগে ছিলেন এন আর এস ও চুঁচুড়া হাসপাতালে। বাবা প্যান্ডেলের কাজ করতেন। লকডাউনের জন্য রাতারাতি বেকার বাবা। বন্ধ কাজ, তাই বাধ্য হয়েই নাবালক ছেলেকে সংসারের খিদে মেটাতে লরির খালাসির কাজ শুরু করতে হয়। করোনা আতঙ্ক থাকলেও পেটের টানে ঝুঁকি নিয়েই ওঠেন ১০ চাকায়। কিছুদিন আগে ডানকুনির কাছে দুর্ঘটনা হয়। চোট পান গুরুতর। প্রথমে চুঁচুড়া হাসপাতাল, পরে এন আর এস। মাথা, ঘাড়ব্যথায় শরীর কার্যত অসাড়। প্রয়োজন জরুরি ভিত্তিতে এমআরআই করার। তিন হাসপাতাল ঘুরে তা এখনও সম্ভব হয়নি। তবে সেটা কবে হবে তার কোনও সদুত্তর নেই। ফলে আশঙ্কায় রয়েছেন বাবা মা। কিছুদিন আগে একটি বারের জন্য কোভিড বেডে অসাড় ছেলেকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। কর্তব্যরত চিকিৎসক কী চিকিৎসা করছেন সেটাই বুঝতে পারছেন না। এমআরআই কীভাবে হবে? কোথায় হবে? ছেলে সুস্থ হয়ে ফিরবে তো? প্রশ্নের উত্তর চান অসহায় বাবা-মা। তিন হাসপাতাল ঘুরে বাবা-মা হাসপাতালের গাছতলায় বসে আপন মনে বলে চলেন, করোনা ভালো, লকডাউন খারাপ। আসলে লকডাউন না হলে যে ছেলেকে খালাসির কাজ করতেই হত না।
কলকাতা মেডিকেল কলেজের গ্রিন বিল্ডিংটাই ২০ জুলাই থেকে ঠিকানা দাস দম্পতির। নবদ্বীপ থেকে এক কাপড়ে বেরিয়েছেন জুলাই প্রথম সপ্তাহে। ইতিমধ্যে তিন হাসপাতালে চড়কি পাক খেয়ে এখন ঠাঁই কলকাতা মেডিকেলে। ছেলে মনোজ দাস ৩১৮ নং বেডে ভর্তি ২০ জুলাই থেকে। এর আগে ছিলেন এন আর এস ও চুঁচুড়া হাসপাতালে। বাবা প্যান্ডেলের কাজ করতেন। লকডাউনের জন্য রাতারাতি বেকার বাবা। বন্ধ কাজ, তাই বাধ্য হয়েই নাবালক ছেলেকে সংসারের খিদে মেটাতে লরির খালাসির কাজ শুরু করতে হয়। করোনা আতঙ্ক থাকলেও পেটের টানে ঝুঁকি নিয়েই ওঠেন ১০ চাকায়। কিছুদিন আগে ডানকুনির কাছে দুর্ঘটনা হয়। চোট পান গুরুতর। প্রথমে চুঁচুড়া হাসপাতাল, পরে এন আর এস। মাথা, ঘাড়ব্যথায় শরীর কার্যত অসাড়। প্রয়োজন জরুরি ভিত্তিতে এমআরআই করার। তিন হাসপাতাল ঘুরে তা এখনও সম্ভব হয়নি। তবে সেটা কবে হবে তার কোনও সদুত্তর নেই। ফলে আশঙ্কায় রয়েছেন বাবা মা। কিছুদিন আগে একটি বারের জন্য কোভিড বেডে অসাড় ছেলেকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। কর্তব্যরত চিকিৎসক কী চিকিৎসা করছেন সেটাই বুঝতে পারছেন না। এমআরআই কীভাবে হবে? কোথায় হবে? ছেলে সুস্থ হয়ে ফিরবে তো? প্রশ্নের উত্তর চান অসহায় বাবা-মা। তিন হাসপাতাল ঘুরে বাবা-মা হাসপাতালের গাছতলায় বসে আপন মনে বলে চলেন, করোনা ভালো, লকডাউন খারাপ। আসলে লকডাউন না হলে যে ছেলেকে খালাসির কাজ করতেই হত না।
Post a Comment
Thank You for your important feedback