থানায় লকআপেই নাবালকের মৃত্যু ঘিরে ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে বীরভূমের মল্লারপুর। শনিবার এই ঘটনার প্রতিবাদে ১২ ঘন্টার মল্লারপুর বনধ ডেকেছিল বিজেপি। এদিন মল্লারপুরে বনধ ছিল সর্বাত্মক ও স্বতস্ফুর্ত। সকাল থেকেই দোকান-পাট, বাজার-হাট সব বন্ধ ছিল। তবে এদিন ফের একবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল মল্লারপুর। এদিন রাজ্য বিজেপি যুব মোর্চা সভাপতি সৌমিত্র খাঁর নেতৃত্বে একটি মিছিল হয়। কয়েক হাজার মানুষ স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে মিছিলে পা মেলায়। কিন্তু মল্লারপুর থানার কাছেই মিছিল আটকায় পুলিশ। বিজেপি কর্মী-সমর্থকরাও পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করেন। ফলে শুরু হয়ে যায় ধস্তাধস্তি। ধুন্ধুমার বেঁধে যায় এলাকায়।

বিশাল পুলিশবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে। এরপরই থানার সামনে ধর্নায় বসে যায় সৌমিত্র খাঁ সহ স্থানীয় নেতৃত্ব। সেখান থেকেই শাসকদলকে তোপ দাগেন বিজেপি সাংসদ তথা যুব মোর্চা সভাপতি সৌমিত্র খাঁ। তিনি বলেন, ‘আমরা চাইছি থানার ওসিকে গ্রেফতার করা হোক। জুভেনাইল অ্যাক্টে বিচার হোক। কেন লুকিয়ে লুকিয়ে মৃতদেহ পুড়িয়ে দেওয়া হল তার জবাব দিতে হবে’। এরপরই তাঁর কটাক্ষ, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লাশ চুরি করছে এবং অনুব্রত ডাকাতের সর্দার’। যদিও মৃত নাবালকের পরিবার দাবি করেছিল তাঁরা তৃণমূল সমর্থক।
বিজেপি নেতৃত্বের দাবি ছিল, পুলিশ ও তৃণমূলের চাপেই তাঁরা এটা বলতে বাধ্য হচ্ছেন। কিন্তু এদিন মৃতের দিদি স্বীকার করেছেন তাঁর ভাই বিজেপি করত। অপরদিকে, বিজেপি কর্মী সমর্থকের বিক্ষোভের মাঝেই তারাপীঠ শ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন হল মৃতের। সেখানে হাজির ছিলেন ময়ূরশ্বরের তৃণমূল বিধায়ক। এদিন বামেরাও পুলিশ হেফাজতে নাবালকের মৃত্যুতে বোলপুরে একটি মিছিল বার করে।

إرسال تعليق
Thank You for your important feedback