বিহারে পাশাপাশি এবার সবার নজর মধ্যপ্রদেশের দিকে। ৩ নভেম্বর সেরাজ্যের ২৮টি আসনে উপনির্বাচন। ক্ষমতা ধরে রাখতে বিজেপির কাছে এবং গত বিধানসভা নির্বাচনে একক গরিষ্ঠ দল কংগ্রেসের কাছ এই উপনির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া ২২ জন কংগ্রেস বিধায়ককে নিয়ে দল ছেড়ে বিজেপি যোগ দেওয়ায় এই অকাল নির্বাচন। তাঁর দলত্যাগে পড়ে গিয়েছিল কমলনাথের কংগ্রেস সরকার। ২০১৮ সালের ভোটে কংগ্রেস ১১৪ আসনে জিতেছিল।
বিজেপি পেয়েছিল ১০৯টি। চারটি আসন ছিল নির্দলদের। বিএসপি ২টি ও এসপি পেয়েছিল ১টি আসন। ১৫ বছর পর ক্ষমতায় আসে কংগ্রেস। এরপর সিন্ধিয়ার ২২ এমএলএ, তিন বিধায়কের মৃত্যু এবং চারটি পদত্যাগে বিজেপি এখন ১০৭, কংগ্রেস ৮৭। ২৩০ আসনের বিধানসভায় গরিষ্ঠতার অঙ্ক ১১৫। বিজেপির কাছে তা সহজ হলেও বেশ কঠিন কংগ্রেসের কাছে। মাত্র ৮টি আসনে জিততে পারলেই ক্ষমতায় থেকে যাবে বিজেপি।
এক কংগ্রেস বিধায়কের পদত্যাগের ফলে বিধানসভার মোট আসন এখন ২২৯। ক্ষমতায় ফিরতে হলে কংগ্রেসকে ২৮টি আসনের সবকটিতেই জিততে হবে। যদি তা না হয় তবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে নির্দল, সপা, বসপার বিধায়কদের ভূমিকা। যে ২৮টি আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে তার ১৬টিই গোয়ালিয়র-চম্বল অঞ্চলের। এই অঞ্চলে বিএসপি ভোট পেয়েছিল ৫ শতাংশ।
Post a Comment
Thank You for your important feedback