বাড়িতেই চলছিল লক্ষ্ণীপুজোর আয়োজন। আর তার জন্যই প্রদীপ জ্বালাতে যান যাদবপুরের গৃহবধূ দোলা মিত্র। আর সেই প্রদীপের আগুন যে কখন তাঁর সিল্কের শাড়ি গ্রাস করেছে সেটা বিন্দুমাত্র বুঝতে পারেননি তিনি। ফলে নিমেষে আগুন গ্রাস করে পুরো শাড়ি। সেই সঙ্গে বছর তেষট্টির দোলাদেবীর শরীরের অনেকটা অংশ পুড়ে যায়। দ্রুতই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। কিন্তু শেষরক্ষা হলনা। শনিবার ভোরেই মারা যান দোলা মিত্র। আর এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে আসে যাদবপুরে।

দোলাদেবীর পরিবারের দাবি, শুক্রবার লক্ষ্মীপুজোর আয়োজনে সকাল থেকেই ব্যস্ত ছিলেন তিনি। রাতেই পুজোর আগে প্রসাদের থালা সাজানোর সময় অসাবধানবসত আগুন লেগে যায় দোলাদেবীর শাড়িতে। সিল্কের শাড়িতে মূহুর্তে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। প্রাণ বাঁচাতে শরীরে আগুন নিয়েই ছুটে যান বাথরুমের দিকে। পরিবারের অন্যান্যরাও এই দৃশ্য দেখে ঘাবড়ে যান। কিন্তু এরপরই সকলে জল ঢেলে আগুন নিভিয়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। তাঁর শরীরের ৮৫ শতাংশই পুড়ে যায়। শনিবার ভোর চারটে নাগাদ মৃত্যু হয় দোলাদেবীর। যাদবপুর থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

إرسال تعليق
Thank You for your important feedback