এলাকার একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে কয়েকজন দুষ্কৃতী। এই খবর পেয়েই স্থানীয় কয়েকজন তৃণমূলকর্মী হানা দেয় সেখানে। বাড়িতে দুষ্কৃতীদের আশ্রয় দেওয়া নিয়ে প্রতিবাদ করেন তাঁরা। অভিযোগ, এই ঘটনায় আচমকা গুলি চালাতে শুরু করে দুষ্কৃতীরা। আর তাতেই গুলিবিদ্ধ হন তিনজন তৃণমূলকর্মী। সোমবার রাতে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণার জীবনতলা থানার দাহারানী গ্রামে। বর্তমানে তিনজনই কলকাতার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার পরই এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয় অভিযুক্তরা। জখম তৃণমূলকর্মীদের নাম কুতুবুদ্দিন শেখ, মোসলেম আলি মোল্লা এবং আলমগীর গাজি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে স্থানীয় এক রিকশাচালকের বাড়িতে কয়েকজন দুষ্কৃতী আশ্রয় নিয়েছেন।
খবর পেয়েই সেখানে যান ওই তিন তৃণমূলকর্মী। সেখানে কাউকে না পেয়ে খবর নিয়ে জানতে পারেন পাশেই একটি ভেড়িতে রয়েছেন দুষ্কৃতীরা। সেখানে গিয়ে খোঁজখবর নিতেই আচমকা গুলি ছোঁড়ে দুষ্কৃতীর দল। পায়ে ও বুকে গুলি লাগে তৃণমূল কর্মীদের। গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন তাঁরা। প্রথমে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় ক্যানিং হাসপাতালে, এরপর কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে। রাতেই খবর পেয়ে ওই গ্রামে যায় জীবনতলা থানার বিশাল পুলিশবাহিনী। কিন্তু রাতভর তল্লাশির পর কাউকেও গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। যদিও সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকালে তালদি গোবিন্দ নগর এলাকায় তিন দুষ্কৃতী তালদি থেকে বারুইপুর এর দিকে পালানোর চেষ্টা করছিল।
সন্দেহভাজন অবস্থায় তাঁদের আটকায় গ্রামবাসীরা। ওই দুষ্কৃতীদের কাছে দুটি বন্দুক উদ্ধার হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। এরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা তিনজনকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে তিনজন দুষ্কৃতীকেই আটক করেছে পুলিশ। এরাই জীবনতলায় গুলি চালানোর ঘটনায় জড়িত কিনা জানা যায়নি। তবে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে প্রশ্ন উঠছে, কেনই বা পুলিশকে খবর না দিয়ে ওই তিন তৃণমূলকর্মী দুষ্কৃতীদের ধরতে নিজেরাই গেলেন সেটা নিয়েই তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।


إرسال تعليق
Thank You for your important feedback