ম্যাঙ্গালোরে জন্ম ১৯৭৩ সালে। দক্ষিণ ভারতীয় হলেও চেহারার চটক ছিল বিদেশিদের মতো। তাই ১৯৯৪ সালে বিশ্বসুন্দরী হয়েছিলেন এই নীলনয়না ঐশ্বর্য রাই। তারপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি। প্রথমে কিছু সামাজিক কাজ, তারপর একদম বলিউড। সোনালি খাঁচায় বন্দি থেকে একের পর এক ছবির অফার। অবশেষে প্রেম এল জীবনে। সলমন খানের সাথে। কিন্তু কয়েকবছর বাদে তা কেটেও গেল। ওদিকে অভিনয়ে কিন্তু সুনাম অর্জন করে শাহরুখ থেকে অজয় দেবগন, হৃতিক থেকে আমির, কে নেই তাঁর নায়কের তালিকায়। এরপর প্রেম বিবেক ওবেরয়ের সাথে। কিন্তু নিজের মানদন্ডে বিবেককে বাতিল করতেই হলো অ্যাশকে।
আবার মস্ত বড় ঘর বচ্চন পরিবার। নিজের থেকে অনেকটাই ছোট অভিষেকের প্রেমে পড়লেন ঐশ্বর্য। হিন্দি প্রবাদ ' চট মাঙ্গনি পট বিয়া'। বিয়ের পর অ্যাশ অভিষেক দুজনেরই ভাগ্য বিড়ম্বনা হল। দুজনই ফুরিয়ে যেতে শুরু করলেন। ছবি কমে গেল। হাতে আগামীতে একটিই ছবি গুলাবজামুন রিলিজ করবে ৪ ডিসেম্বর। আপাতত কর্তাগিন্নি অভিনীত এই ছবি তাঁদের ভাগ্য ফেরাতে পারবে বলে ধারণা নেই কারও। বয়স বেড়ে আজ ঐশ্বর্য ৪৭ এ পড়লেন |
Post a Comment
Thank You for your important feedback