রেনেসাঁস বা নবজাগরণ এই বাংলাতেই হয়েছিল। অবিভক্ত বাংলায় তার থেকে উঠে আসা বঙ্গ সংস্কৃতি, এ কারণে কলকাতা তাঁরই পীঠস্থান। কিন্তু হল কী করে প্রশ্ন থাকতেই পারে, প্রশ্ন থাকতেই পারে ব্রিটিশ শক্তির বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরা তাও তো বাংলা থেকেই অথবা বাম আন্দোলন।
এখানে ধর্ম বা পুজোআচ্চা বড় বিষয় নয়। দুর্গা বা কালী আজকের আরাধ্য ঈশ্বর নয়। কিন্তু একটা সময়ে ভারতে বাংলার ভূমিকা নেহাতই নগণ্য ছিল, একতা ছিল না। বামাখ্যাপা থেকে রামকৃষ্ণ কালীপুজো কিংবা কালীভক্তি দিয়ে একটা সর্বজনীন একতা এনেছিলেন। মানুষ পুজোর মাধ্যমে এক হল, মিলন উৎসবে পরিণত হল দুর্গা বা কালীপুজো। বঙ্কিম, রবীন্দ্রসাহিত্য থেকে নেতাজির সর্বজনীন পুজোর আয়োজন মানুষকে ভাবিয়েছিল। নজরুলের শ্যামা সংগীত কিংবা সত্যজিতের 'দেবী' ঘোরতর বামপন্থী মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কৃত সন্ধ্যাবেলার সূর্য্য সবই প্রতীকী। আজকে তাই অবতার রামের থেকে দুর্গা কালিই বেশি পূজিতা এ বাংলায় |
Post a Comment
Thank You for your important feedback