রাজ্যের পুলিশকর্তাদের নামে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস তেজস্বী সূর্যর

গত ৮ অক্টোবর বিজেপি যুব মোর্চার সর্বভারতীয় সভাপতি তেজস্বী সূর্যের নেতৃত্বে নবান্ন অভিযান হয়েছিল। ওই দিন যুব মোর্চার অভিযান ঘিরে উত্তাল হয়েছিল কলকাতা ও হাওড়া। পুলিশি বাধায় নবান্ন অভিযান ব্যার্থ হয়। বিজেপির দাবি ছিল, শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে, কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটিয়ে এবং রাসায়নিক মিশ্রিত জল ছিটিয়ে বিজেপির যুব কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে। ঠিক একমাসের মাথায় কড়া পদক্ষেপ নিলেন তেজস্বী সূর্য। 

 

কলকাতা ও হাওড়ার পুলিশ কমিশনার-সহ রাজ্যের কয়েকজন পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগ জানিয়ে লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার কাছে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস (privilege notice) জমা দিলেন তিনি। সূত্রের খবর, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন লোকসভার অধ্যক্ষ। সোমবার বিকেলেই বেঙ্গালুরু দক্ষিণের বিজেপি সাংসদ তেজস্বী এই স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস লোকসভায় জমা করেছেন। এরপরই তিনি এক সাংবাদিক সম্মেলন করেন। তরুণ এই বিজেপি সাংসদ তথা যুব মোর্চার সর্বভারতীয় সভাপতি রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রামণ করেন। তাঁর অভিযোগ, পুলিশ বিজেপি যুব কর্মীদের প্রাণনাশের চেষ্টা করেছিল।

 তাঁর আরও অভিযোগ, পুলিশের সামনেই কলকাতার রাজপথের ধারে উঁচু উঁচু বাড়ি থেকে বিজেপি কর্মীদের উপর বোমা ও পাথর ছুঁড়েছে দুষ্কৃতীরা। অথচ পুলিশ দেখেও নিশ্চুপ ছিল। উল্টে পুলিশই জলের সঙ্গে রাসায়নিক মিশিয়ে বিজেপির মিছিলের স্প্রে করেছে। ওতে নিশ্চই খারাপ কিছু ছিল। এরপরই তাঁর তোপ, ‘কলকাতা ও হাওড়ার পুলিশ থানাগুলি তৃণমূলের পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছে। পুলিশ আধিকারিকরা এখন শাসকদলের চাকর’। তিনি আরও জানান, বিগত দেড় বছরে পশ্চিমবঙ্গে ১২০ জন বিজেপি কর্মী খুন হয়েছে। সমস্ত বিষয়ই লোকসভার অধ্যক্ষকে জানিয়েছেন তেজস্বী সূর্য।


Post a Comment

Thank You for your important feedback

أحدث أقدم