বিজেপির এক বুথ সম্পাদক খুনের ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ১২ ঘন্টার বনধ চলছে কোচবিহারের তুফানগঞ্জে। এদিন সকাল থেকেই তুফানগঞ্জ এলাকায় বন্ধ দোকানপাট, শুনশান রাস্তাঘাট। রাস্তায় গাড়িঘোড়াও বেশি নেই। তবে বেলা বাড়তেই উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। বনধ সমর্থনে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায়। পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করে কোচবিহার জেলা প্রশাসন। যদিও বেলা বাড়তেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে তুফানগঞ্জের ঘোড়াই মোড় এলাকা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল-বিজেপি দুই পক্ষই নিজেদের পার্টি অফিসে জমায়েত করেছিল। এরপরই দু'পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে দু'পক্ষের বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে বলে জানা গিয়েছে।
বিজেপির দাবি, পুলিশের লাঠির আঘাতে তাঁদের পাঁচজন কর্মী আহত হয়েছে। এরমধ্যে দুজনকে তুফানগঞ্জ মহাকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপরদিকে মারুগঞ্জ এলাকায় হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল-বিজেপি কর্মীরা। যদিও পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি দ্রুত আয়ত্তে আসে। উল্লেখ্য, তুফানগঞ্জের ১ নং ব্লকের নাগকাটিগছ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপির বুথ সম্পাদক কালাচাঁদ কর্মকার বাড়ির সামনেই খুন হন। স্থানীয় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধেই ওঠে অভিযোগের তির। বুধবার সকালে এলাকার দুটি ক্লাবের কালীপুজো নিয়ে গোলমাল থামাতে গিয়েই মারধোরের জন্য মৃত্যু হয় ওই বিজেপি নেতার। এই ঘটনার প্রতিবাদেই বৃহস্পতিবার ১২ ঘন্টার তুফানগঞ্জ বনধ ডেকেছিল বিজেপি। বনধের যথেষ্ঠ প্রভাব পড়েছে তুফানগঞ্জে। কয়েকটি বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ছাড়া বনধ সর্বাত্মক।


إرسال تعليق
Thank You for your important feedback