তাঁর বাড়িতে পাত পেড়ে খেয়ে এসেছেন সয়ং দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপরই রাজ্য তথা দেশের তামাম সংবাদমাধ্যমের নজরে বাঁকুড়ার বিভীষণ হাঁসদা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ চলে আসার পরই বিভীষণ হাঁসদার বাড়ি পৌঁছে যান তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্ব। তাঁরা কথা বলেন বিভীষণের পরিবারের সঙ্গে। সাহায্যের আশ্বাসও দিয়ে আসেন। এবার ফের বিজেপির পালা। রবিবারই সেখানে যান বাঁকুড়ার বিজেপি সাংসদ পেশায় চিকিৎসক সুভাষ সরকার।
খতিয়ে দেখলেন বিভীষণবাবুর মেয়ের চিকিৎসার কাগজ পত্র। এবং তাঁর চিকিৎসার যাবতীয় দায়িত্ব নিলেন বিজেপি সাংসদ। সূত্রের খবর, বিভীষণের মেয়ে দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়া রচনা হাঁসদা দীর্ঘদিন ধরেই ডায়বেটিস ইনসিপিডাসে (Diabetes insipidus) আক্রান্ত। বিগত ২ বছর ধরে চলছে চিকিৎসা। বিভীষণের দাবি, প্রতিমাসে মেয়ের চিকিৎসার জন্য তাঁদের পাঁচ-সাত হাজার টাকা খরচ হয়। যা তাঁদের পক্ষে বহন করা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ছে।

বিভীষণের ইচ্ছে ছিল, মেয়ের চিকিৎসার খরচ নিয়ে অমিত শাহর কাছে আর্জি জানাবেন। কিন্তু সেদিন ভিড়ভাট্টার মধ্যে সেটা হয়ে ওঠনি। পরে এটা নিয়ে বিতর্কও হয়। পুরো বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর কানে যায়। তিনিই দ্রুত উদ্যোগী হয়ে বাঁকুড়ার সাংসদকে বিভীষণ হাঁসদার বাড়ি পাঠান। এরপরই রবিবার সকালে বিভীষণ হাঁসদার বাড়ি গেলেন ডাঃ সুভাষ সরকার। তিনি এদিন রচনার সমস্ত মেডিকেল রিপোর্ট নিজেই খতিয়ে দেখেন। এরপরই রচনার কয়েকটি রক্তের পরীক্ষার ব্যবস্থা করেন। রিপোর্ট দেখে পরবর্তী চিকিৎসা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
প্রয়োজনে রচনাকে দিল্লির AIMS-এ নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানোর আশ্বাসও দিয়েছেন বিজেপি সাংসদ। এই প্রসঙ্গে বিভীষণবাবু জানিয়েছেন, ‘সাধারণ মানুষ হিসেবে মেয়ের চিকিৎসার আবেদন করেছিলাম, কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মী হিসেবে নয়। তবে সুভাষবাবু আসায় মনে হচ্ছে মেয়েটা ফের সুস্থ হয়ে যাবে’। আশার আলো দেখছেন বিভীষণের পরিবারও।

إرسال تعليق
Thank You for your important feedback