সবকিছু ঠিক থাকলে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকেই সারদা-রোজভ্যালি সহ একাধিক চিটফান্ডকাণ্ডের তদন্তে প্রবল গতি আসতে চলেছে। আর সেইসঙ্গেই দীর্ঘদিন ধরে ঝুলতে থাকা এই মামলগুলোর জাল গুটিয়ে আনার চেষ্টা করবে এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট বা ইডি। ইতিমধ্যেই তদন্তে গতি আনতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তিন আধিকারিককে দিল্লি থেকে কলকাতায় আনা হচ্ছে।
সেইসঙ্গে সিবিআইয়ের বর্তমান যুগ্ম অধিকর্তাকে সরিয়ে আনা হচ্ছে এক দক্ষ আধিকারিককে। সূত্রের খবর, মূলত তিনভাবে আক্রমণ শানাতে তৈরি হচ্ছে তদন্তকারী দুই সংস্থা। প্রথমত চিটফান্ডকাণ্ডে অভিযুক্ত ও প্রভাবশালীদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা। দ্বিতীয়ত আরও দক্ষ অফিসারদের এনে তদন্তের গতি বাড়ানো। তৃতীয়ত চিটফান্ডগুলোর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা।
প্রসঙ্গত, সাতবছর আগে ২০১৩ সালে চিটফান্ড সারদার কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আসে। অসংখ্য আমানতকারী ও এজেন্ট তাঁদের সর্বস্ব খুইয়ে কার্যত পথে বসেন। বর্তমান শাসকদলের একাধিক নেতার নাম জড়িয়ে যায় এই কেলেঙ্কারিতে। একটি জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট সারদাকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়। আলাদা করে আর্থিক তছরুপের তদন্ত শুরু করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
এবার সেই তদন্তের জাল গোটাতে চলেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই ও ইডি। এখন প্রশ্ন একটাই, তদন্তের শেষ পর্যায়ে এবার কোন কোন রাঘববোয়ালদের জালে তুলতে চলেছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। কারণ দিল্লি থেকে বাঘা বাঘা অফিসারকে ইতিমধ্যেই কলকাতা পাঠানোর জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ইডি। সূত্রের খবর, দীপাবলীর পর থেকেই ফের চিটফান্ডকাণ্ডে তেড়েফুঁড়ে ময়দানে নামতে পারে কেন্দ্রীয় দুই গোয়েন্দা সংস্থা।

إرسال تعليق
Thank You for your important feedback